যশোরকে মুড়ে ফেলা হয়েছে নিরাপত্তার চাদরে

বৃহস্পতিবার যশোরে প্রধানমন্ত্রীর সমাবেশ,অলিতে-গলিতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অবস্থান

এবিসি বাংলা ডেস্কএবিসি বাংলা ডেস্ক
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  06:47 PM, 23 November 2022

প্রধানমন্ত্রীর জনসভা ঘিরে যশোরকে ঢেকে ফেলা হয়েছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার চাদরে। সমাবেশের মাঠের চিত্র ধারণে বসানো হয়েছে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা। ওয়াচ টাওয়ার থেকে নজরদারি করা হবে যশোরের। বুধবার যশোর শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। বিকেল থেকে স্টেডিয়াম, পৌরপার্ক ও আব্দুর রাজ্জাক কলেজসহ সমাবেশ স্থলে প্রবেশের সবপথ বন্ধ করে দেয় আইন-প্রয়োগকারী সংস্থা। পুলিশ ও সংবাদকর্মীদের প্রবেশেও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়।

 

চেকপোস্টে তল্লাসীএদিন দুর-দূরান্ত থেকে দলীয় নেতাকর্মীদের যশোর শহরে আসতে দেখা যায়। তারা প্রধানমন্ত্রীর জনসমাবেশে যোগ দিতে আগে-ভাগে এসেছেন যশোর শহরে। প্রচার মাইকের গাড়ি ছুটতে দেখা যায় শহর ও শহরতলী এলাকায়। জনসভায় বিপুল লোকসমাগম ঘটাতে আওয়ামী লীগ, সহযোগী ও বন্ধুপ্রতীম সংগঠনের নেতাকর্মীদের ছুটোছুটির দৃশ্য নজরে পড়ে।
শহরের বিভিন্ন রাস্তায় দৃষ্টিকাড়া তোরণ ও অভ্যর্থনা গেট নির্মাণ করা হয়েছে। হরেক রঙের প্যানা-ফেস্টুন শহরে সৌন্দর্য বর্ধনে যোগ করেছে নতুন মাত্রা। বুধবার শেষ মুহূর্তে শহরের দড়াটানা মোড়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ম্যুরাল ও গরীবশাহ সড়ক বিমানবন্দর সড়কে যশোরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগতম জানিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের ব্যানার, ফেস্টুন টাঙানো এবং লিফলেট বিতরণ করতে দেখা যায়। প্রচার মাইকের গাড়ি ছুটতে দেখা যায় শহর ও শহরতলীয় এলাকায়। সবমিলিয়ে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে সর্বত্রে। আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের দাবি উৎসবের আমেজে ভাসছে গোটা দক্ষিণাঞ্চল।

এদিকে, বেশ আগেই সমাবেশস্থলের পুরো নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ)। সংস্থাটির নির্দেশনায় বুধবার সকালে স্টেডিয়াম, পৌরপার্ক ও আব্দুর রাজ্জাক কলেজসহ আশপাশের সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, এমনকি আশপাশের বাড়ি-ঘরের ছাদ ও অলিগলিতে অবস্থান নিয়েছে বিপুল সংখ্যক পুলিশ। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়-গোটা যশোরকে সাজানো হয়েছে এসএসএফের দেয়া ছকে। সূত্রমতে, প্রধানমন্ত্রীর সমাবেশ ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। সরকারের এলিট ফোর্স র‌্যাব ও পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের সদস্য, রেঞ্জ রিজার্ভ ফোর্স (আরআরএফ) ও আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) টহলে থাকবে। আমজনতার মধ্যে মিশে যাবে সাদা পোশাকের পুলিশ। সন্দেহজনক কিছু নজরে পড়লে তাৎক্ষণিক নেবে ব্যবস্থা।
বুধবার যশোর সার্কিট হাউস, জজকোর্ট মোড়, মুজিব সড়ক, নীলরতন ধর রোড, মাইকপটি, চিত্রমোড়, দড়াটানা, রেজিস্ট্রি অফিস ও এসপি’র কার্যালয়সহ গোটা শহরে বিপুল সংখ্যক পুলিশের উপস্থিতি দেখা যায়। মোড়ে মোড়ে পুলিশের চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।

যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম মিলন জানান, সার্বিক প্রস্তুতি সন্তোষজনক। এরমধ্যে দেশের ঐতিহ্যবাহি কলরেডি মাইক যশোরে পৌঁচেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, উৎসবমুখর পরিবেশে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা সম্পন্ন হবে। জননেত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর জনসভা মহাসমাবেশে রুপ নেবে আশাবাদ ব্যক্ত করেন মিলন।

খুলনা বিভাগ

আপনার মতামত লিখুন :