আ’লীগের সম্মেলনে মোড়ে মোড়ে থাকবে স্বেচ্ছাসেবক

সিনিয়র নেতাকর্মীদের কথা মাথায় রেখে নেয়া হয়েছে স্বেচ্ছাসেবক রাখার সিদ্ধান্ত

এবিসি বাংলা ডেস্কএবিসি বাংলা ডেস্ক
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  08:20 PM, 18 November 2022
ফাইল ছবি

আওয়ামী লীগের ২২তম সম্মেলনে সিনিয়র সিটিজেনদের কথা মাথায় রেখে তাদের সহযোগিতার জন্য বিভিন্ন স্ট্যান্ডে স্বেচ্ছাসেবক রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আজ শুক্রবার (১৮ নভেম্বর) সকালে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডিস্থ রাজনৈতিক কার্যালয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২২তম জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষে গঠিত স্বেচ্ছাসেবক ও শৃঙ্খলা উপকমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দীন নাছিম। এ সময় স্বেচ্ছাসেবক ও শৃঙ্খলা উপ-কমিটির আহবায়ক আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের সম্মেলনকে কেন্দ্র করে সারাদেশ থেকে বয়োবৃদ্ধ কাউন্সিলররা ঢাকায় আসবেন। তাদের যাতে কোনো সমস্যা না হয়, তার জন্য প্রতিটি বাসস্ট্যান্ডে আমাদের স্বেচ্ছাসেবক থাকবে।

তিনি বলেন, স্বেচ্ছাসেবকরা একটা নির্দিষ্ট রংয়ের ড্রেস পরা অবস্থায় থাকবে। তারা সেখানে থেকে সবাইকে সহযোগিতা করবে।

সম্মেলনের আয়োজন সম্পর্কে জানিয়ে তিনি বলেন, ২৪ ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগের ২২তম জাতীয় সম্মেলন খুবই সাদামাটা ভাবে অনুষ্ঠিত হবে। বৈশ্বিক ও দেশীয় অর্থনৈতিক অবস্থা চিন্তা করে আমরা এবার কোন আলোকসজ্জা করবো না। যেটুকু না করলেই নয় শুধুমাত্র সেটুকুই হবে।

নাছিম বলেন, বিজয়ের মাসে এই সম্মেলন জাতির কাছে, বাংলাদেশের মানুষের কাছে ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের অর্জন, সাফল্য, গৌরবগাঁথা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে হয়েছে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জীবন উৎসর্গ করেছে। সেই সংগঠনের সম্মেলনকে ঘিরে দেশব্যাপী একটা অন্যরকম আনন্দ, উচ্ছ্বাস-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে।

আওয়ামী লীগের এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, আওয়ামী লীগ হলো জনতার দল, মাঠ ময়দানে আন্দোলন সংগ্রামের দল। আওয়ামী লীগ শান্তি সৃষ্টি করে, শান্তি সৃষ্টির লক্ষ্যে অশান্তি সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সবসময় কাজ করে। জনগণকে নিয়ে যেকোনো অন্যায়, অবিচার অথবা ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড যারা করে, যারা জীবন নিয়ে ছিনিমিনি করতে চাইবে, যারা মানুষের জীবনকে লাশ বানিয়ে ফায়দা লুটতে চাইবে, তাদের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করবে।

বিএনপির সমাবেশ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এই মুহূর্তে আমরা আমাদের সম্মেলন নিয়ে ব্যস্ত। আমরা বিএনপি-জামায়াতকে নিয়ে ভাবতে চাই না। তাদের নিয়ে কোনো ভাবনা বা মাথা-ব্যথা কোনোটাই নেই আমাদের। তারা ১০ তারিখের সমাবেশ করতে যাচ্ছে করবে। তবে তারা যদি সমাবেশের নামে আবার কোনো অগ্নি সন্ত্রাস করে, জনগণের কোনো ক্ষতি করে, সরকারি সম্পদ নষ্ট করে তাহলে জনগকে সাথে নিয়ে তাদের উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।

এসময় অন্যদের মধ্যে আওয়ামী লীগের কার্যনিবাহী কমিটির সদস্য আনোয়ার হোসেন, কৃষক লীগের সভাপতি কৃষিবিদ সমীর চন্দ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গাজী মেজবাউর হোসেন সাচ্চু, সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবুসহ স্বেচ্ছাসেবক ও শৃঙ্খলা উপ-কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা বিভাগ

আপনার মতামত লিখুন :