আমি সত্যিই ভাগ্যবান

বঙ্গবন্ধুর গলায় ফুলের মালা পরিয়েছি, ২৪ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় সভাপতিত্ব করবো

এবিসি নিউজ>এবিসি নিউজ>
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  07:37 PM, 18 November 2022

নিজেকে ভাগ্যবান বলে মন্তব্য করেছেন যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম মিলন। তিনি বলেন, ৫০ বছর আগে নভেম্বর মাসে যশোর শামস-উল-হুদা স্টেডিয়ামে বিশাল জনসভায় ভাষণ দেন বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা, স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের মহান স্থপতি, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আমি সেই সময় জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে জাতির জনকের গলায় ফুলের মালা পরিয়ে দিয়েছিলাম।

 

 

আগামী ২৪ নভেম্বর মাসে একই স্থানে ভাষণ দেবেন বঙ্গবন্ধু কন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এদিন উৎসবের নগরীর রুপ নেবে যশোর। এতে আমি প্রধানমন্ত্রীর পাশে বসে সভাপতিত্ব করবো উল্লেখ করে মিলন বলেন, সত্যিই আমি ভাগ্যবান।

শুক্রবার (১৮ নভেম্বর) বিকেলে যশোর শহরতলীর বাহাদুরপুরে একটি দলীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বীরমুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম মিলন প্রধান অতিথির বক্তব্যে এভাবেই স্মৃতিচারণ করেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর জনসভা মহাসমাবেশে পরিণত করে জামায়াত-বিএনপিকে দেখিয়ে দিতে হবে তাদের নৈরাজ্য ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড রুখতে প্রস্তুত আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ছাত্রলীগ, যুবলীগ, শ্রমিকলীগ ও কৃষক লীগসহ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। জনগণের জানমাল নিয়ে কারোর ছিনিবিনি খেলতে দেয়া হবে না বলেও সাফ জানিয়ে দেন এই শীর্ষ নেতা।

 

নওয়াপাড়া ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি জহুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন-যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুজ্জামান পিকুল ও প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মুন্সি মহিউদ্দীন। সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহারুল ইসলাম। সভা পরিচালনা করেন-ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক তৌফিক আহমেদ। বক্তারা দলীয় সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভায় মিছিলসহকারে যোগদানের আহবান জানিয়ে বলেন, এই মহাসমাবেশ বাংলাদেশের রাজনীতির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যময়। স্বাধীনতা বিরোধী চক্রের অপরাজনীতি বন্ধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ পরিচালনা করতে হলে ফের শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার গঠন করতে হবে। তারজন্য আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও কৃষকলীগসহ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের একদম তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের সাথে সুম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। সরকারের উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরে বলতে হবে বিএনপি-জামায়াতসহ স্বাধীনতা বিরোধী চক্রের ধোকাবাজিতে জনগণ যেন বিভ্রান্ত না হয়। তাহলেই আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জয়জয়াকার হবে।
সভায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও কৃষকলীগসহ সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী অংশ নেন।

বাংলাদেশ

আপনার মতামত লিখুন :