করোনার লক্ষণ শনাক্তে মুনের তৈরি রোবট

152

জেমস আব্দুর রহিম রানা:যশোরে ইতিপূর্বে জঙ্গি ধরতে রোবট তৈরিসহ বেশ কিছু বৈজ্ঞানিক যন্ত্র তৈরি করে দেশেব্যাপী সাড়া ফেলানো সাংবাদিক পুত্র সেখ নাঈম হাসান মুন মুন এবার করোনার লক্ষণ সণাক্ত করার রোবট বানিয়েছেন, যা দিয়ে করোনার লক্ষণগুলো শনাক্ত করা যাবে, আর সেই অনুযায়ী নেয়া যাবে প্রতিরোধক ব্যবস্থা। ২০১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত মুনের নিজের রোবটিক্স প্রতিষ্ঠান ‘বঙ্গবটস’ এর মাধ্যমে নতুন গতিতে রোবট বানাতে শুরু করে মুন। পরিকল্পনা ছিল জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীতে এমন একটি রোবট বানাবেন, যা বঙ্গবন্ধুর জীবনের গল্প বলতে পারবে।
সে অনুযায়ী কাজও শুরু করেছিলেন, কিন্তু বাঁধ সাধল করোনা। মুন ভাবলেন, এ সময়ে মানুষের উপকার করতে পারে এমন কোনো রোবট তৈরি করা দরকার। তাই তাঁর টিম নিয়ে কাজ শুরু করলেন। তিন মাসের মাথায় তৈরি হলো তাঁর রোবট। রোবটটির নাম দিলেন ‘খোকা’। এই রোবটটি করোনার লক্ষণগুলো শনাক্ত করতে পারবে। লক্ষণ দেখা দিলে কী পদক্ষেপ নিতে হবে একজন রোগী রোবটটির মাধ্যমেই সেটি জানতে পারবে। ফলে চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে ঘরে বসেই প্রাথমিক পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে।
এতে রোগীর অর্থ ও সময় দুটোই সাশ্রয় হবে। ঘর থেকে বেরোলে করোনার ঝুঁকি বাড়ার যে সম্ভাবনা, সেটিও অনেকাংশে কমে আসবে। মুন এখন পর্যন্ত বিভিন্ন মডেলের ২৮টি রোবট তৈরি করেছেন। ‘খোকা’ রোবটটি তিনি মুজিববর্ষের উপহার হিসেবে বঙ্গবন্ধুকে উৎসর্গ করেছেন। মুন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, এই রোবটটি যদি ব্যাপকহারে উৎপাদন করে সারাদেশে ছড়িয়ে দেওয়া হয়, তাহলে এই মহামারির মাঝেও মানুষের অনেক উপকার হবে, কল্যাণ হবে দেশের সবার। আর মানুষের জন্য কিছু করতে পারাই হবে তাঁর কাজের আসল পুরস্কার।করোনার লক্ষণ শনাক্ত করবে যশোরের সাংবাদিক পুত্র মুনের তৈরি রোবট
জেমস আব্দুর রহিম রানা, যশোর : যশোরে ইতিপূর্বে জঙ্গি ধরতে রোবট তৈরিসহ বেশ কিছু বৈজ্ঞানিক যন্ত্র তৈরি করে দেশেব্যাপী সাড়া ফেলানো সাংবাদিক পুত্র সেখ নাঈম হাসান মুন মুন এবার করোনার লক্ষণ সণাক্ত করার রোবট বানিয়েছেন, যা দিয়ে করোনার লক্ষণগুলো শনাক্ত করা যাবে, আর সেই অনুযায়ী নেয়া যাবে প্রতিরোধক ব্যবস্থা। ২০১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত মুনের নিজের রোবটিক্স প্রতিষ্ঠান ‘বঙ্গবটস’ এর মাধ্যমে নতুন গতিতে রোবট বানাতে শুরু করে মুন। পরিকল্পনা ছিল জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীতে এমন একটি রোবট বানাবেন, যা বঙ্গবন্ধুর জীবনের গল্প বলতে পারবে।
সে অনুযায়ী কাজও শুরু করেছিলেন, কিন্তু বাঁধ সাধল করোনা। মুন ভাবলেন, এ সময়ে মানুষের উপকার করতে পারে এমন কোনো রোবট তৈরি করা দরকার। তাই তাঁর টিম নিয়ে কাজ শুরু করলেন। তিন মাসের মাথায় তৈরি হলো তাঁর রোবট। রোবটটির নাম দিলেন ‘খোকা’। এই রোবটটি করোনার লক্ষণগুলো শনাক্ত করতে পারবে। লক্ষণ দেখা দিলে কী পদক্ষেপ নিতে হবে একজন রোগী রোবটটির মাধ্যমেই সেটি জানতে পারবে। ফলে চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে ঘরে বসেই প্রাথমিক পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে।
এতে রোগীর অর্থ ও সময় দুটোই সাশ্রয় হবে। ঘর থেকে বেরোলে করোনার ঝুঁকি বাড়ার যে সম্ভাবনা, সেটিও অনেকাংশে কমে আসবে। মুন এখন পর্যন্ত বিভিন্ন মডেলের ২৮টি রোবট তৈরি করেছেন। ‘খোকা’ রোবটটি তিনি মুজিববর্ষের উপহার হিসেবে বঙ্গবন্ধুকে উৎসর্গ করেছেন। মুন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, এই রোবটটি যদি ব্যাপকহারে উৎপাদন করে সারাদেশে ছড়িয়ে দেওয়া হয়, তাহলে এই মহামারির মাঝেও মানুষের অনেক উপকার হবে, কল্যাণ হবে দেশের সবার। আর মানুষের জন্য কিছু করতে পারাই হবে তাঁর কাজের আসল পুরস্কার।