হ্রাসকৃত শুল্কে আমদানি চাল কালোবাজার রোধে যশোরে কড়াকড়ি

ইচক দুয়েন্দেইচক দুয়েন্দে
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  09:33 PM, 09 September 2021

শুল্কহ্রাসে আমদানী চাল কালোবাজারে বিক্রি রোধে যশোরে কড়া নজরদারি করছে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর। আমদানি ও শুল্ক ছাড়ের পরিমাণসহ চালের ক্রয়মূল্য, বিক্রি ও মজুদ মনিটরিং করছে প্রতিষ্ঠানটি।

যশোরের সিনিয়র কৃষি বিপণন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, আগাম সর্তকতা হিসেবে চাল আমদানি করছে এমন ১৬টি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানকে নোটিশ করা হয়েছে। তাদের কাছে বিভিন্ন তথ্য চাওয়া তথ্য হয়েছে নোটিশে। ২ দিনের মধে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ এসব তথ্য সরবরাহ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে আমদানি চালের পরিমান ও ক্রয়মূল, বিক্রয় চালান ও মজুদ। এছাড়াও আমদানি শুল্ক ছাড়ের পরিমাণ, লাইসেন্স, বিক্রয়মূল্য, পরিবহন ও বাজারজাত খরচসহ অন্যান্য কাগজপত্র চাওয়া হয়েছে। এমনকি ক্রেতাদের মুঠোফোন নাম্বার চাওয়া হয়েছে। উদ্দেশ্য সত্যিকার অর্থে তাদের কাছে চাল বিক্রি হয়েছে কিনা সেটির যাচাই।
সূত্র বলছে, কালোবাজারে বিক্রি করে চালের সংকট সৃষ্টি ও দাম বৃদ্ধি বন্ধে এই তৎপরতা চলছে। কোন গড়মিল পাওয়া গেল জুডিশিয়াল কোট (বিচারিক আদালত) কিম্বা থানায় মামলা করা হবে। পাশাপাশি পরিচালনা করা হবে ভ্রাম্যমান আদালত। জেলা বাজার কর্মকর্তা সুজাত হোসেন খান জানান, গত বছর শুল্ক হ্রাস সুবিধায় আমদানির চালের বেশ অনেক পরিমাণ কালোবাজারে বিক্রি হয়ে যায়। ৩৪ টাকায় কেনা চাল ৩৮ টাকার মতন দামে খোলা বাজারো বিত্রি করে দেওয়া হয়। সেজন্য এবার সর্তক অবস্থানে রয়েছে তার দপ্তর। চাল নিয়ে কোন কারসাজি এবার করতে দেওয়া হবে না-বলে আরও জানান তিনি।
জানা গেছে, নোটিশ পাওয়া যশোরের এসব চাল ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের অনেকে ইতিমধ্যে চাল আমদানি করেছে। অনেকের আমদানি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আর এসব ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের কঠোর নজরদারি মধ্যে থাকছে। নোটিশ পাওয়া ১৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে, যশোর সদরের চুরামনকাটির গুলদার এন্টারপ্রাজ, অভনয়গরের নওয়াপড়া স্টেশন বাজারের এপি ট্রেডিং, আসিফ ট্রেডার্স, লাকী এন্টারপ্রাইজ, আহম্মদ ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, বাবর ইন্টার ন্যাশনাল, শার্শা নাভারন রেল বাজারের নাসিম এন্টারপ্রাইজ, নাভারন পুরাতন বাজারের ইসলামপুর রাইস মিল, বেনাপোলের এসএমএম ইন্টারন্যাশনাল, হাজী মোছা করিম এন্ড সন্স, সসতা ফিশ, সততা ফিশ ফিড, টিএম ফিড মিল, শ্যামলাগাছির চৌধুরী অটো রাইস মিল, ঝিকরগাছার ইসমাইল মিলন ও এসএ এন্টারপ্রাইজ।
শুল্কহ্রাসে আমদানী চাল কালোবাজারে বিক্রি রোধে যশোরে কড়া নজরদারি করছে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর। আমদানি ও শুল্ক ছাড়ের পরিমাণসহ চালের ক্রয়মূল্য, বিক্রি ও মজুদ মনিটরিং করছে প্রতিষ্ঠানটি।
যশোরের সিনিয়র কৃষি বিপণন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, আগাম সর্তকতা হিসেবে চাল আমদানি করছে এমন ১৬টি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানকে নোটিশ করা হয়েছে। তাদের কাছে বিভিন্ন তথ্য চাওয়া তথ্য হয়েছে নোটিশে। ২ দিনের মধে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ এসব তথ্য সরবরাহ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে আমদানি চালের পরিমান ও ক্রয়মূল, বিক্রয় চালান ও মজুদ। এছাড়াও আমদানি শুল্ক ছাড়ের পরিমাণ, লাইসেন্স, বিক্রয়মূল্য, পরিবহন ও বাজারজাত খরচসহ অন্যান্য কাগজপত্র চাওয়া হয়েছে। এমনকি ক্রেতাদের মুঠোফোন নাম্বার চাওয়া হয়েছে। উদ্দেশ্য সত্যিকার অর্থে তাদের কাছে চাল বিক্রি হয়েছে কিনা সেটির যাচাই।
সূত্র বলছে, কালোবাজারে বিক্রি করে চালের সংকট সৃষ্টি ও দাম বৃদ্ধি বন্ধে এই তৎপরতা চলছে। কোন গড়মিল পাওয়া গেল জুডিশিয়াল কোট (বিচারিক আদালত) কিম্বা থানায় মামলা করা হবে। পাশাপাশি পরিচালনা করা হবে ভ্রাম্যমান আদালত। জেলা বাজার কর্মকর্তা সুজাত হোসেন খান জানান, গত বছর শুল্ক হ্রাস সুবিধায় আমদানির চালের বেশ অনেক পরিমাণ কালোবাজারে বিক্রি হয়ে যায়। ৩৪ টাকায় কেনা চাল ৩৮ টাকার মতন দামে খোলা বাজারো বিত্রি করে দেওয়া হয়। সেজন্য এবার সর্তক অবস্থানে রয়েছে তার দপ্তর। চাল নিয়ে কোন কারসাজি এবার করতে দেওয়া হবে না-বলে আরও জানান তিনি।
জানা গেছে, নোটিশ পাওয়া যশোরের এসব চাল ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের অনেকে ইতিমধ্যে চাল আমদানি করেছে। অনেকের আমদানি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আর এসব ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের কঠোর নজরদারি মধ্যে থাকছে। নোটিশ পাওয়া ১৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে, যশোর সদরের চুরামনকাটির গুলদার এন্টারপ্রাজ, অভনয়গরের নওয়াপড়া স্টেশন বাজারের এপি ট্রেডিং, আসিফ ট্রেডার্স, লাকী এন্টারপ্রাইজ, আহম্মদ ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, বাবর ইন্টার ন্যাশনাল, শার্শা নাভারন রেল বাজারের নাসিম এন্টারপ্রাইজ, নাভারন পুরাতন বাজারের ইসলামপুর রাইস মিল, বেনাপোলের এসএমএম ইন্টারন্যাশনাল, হাজী মোছা করিম এন্ড সন্স, সসতা ফিশ, সততা ফিশ ফিড, টিএম ফিড মিল, শ্যামলাগাছির চৌধুরী অটো রাইস মিল, ঝিকরগাছার ইসমাইল মিলন ও এসএ এন্টারপ্রাইজ।
শুল্কহ্রাসে আমদানী চাল কালোবাজারে বিক্রি রোধে যশোরে কড়া নজরদারি করছে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর। আমদানি ও শুল্ক ছাড়ের পরিমাণসহ চালের ক্রয়মূল্য, বিক্রি ও মজুদ মনিটরিং করছে প্রতিষ্ঠানটি।
যশোরের সিনিয়র কৃষি বিপণন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, আগাম সর্তকতা হিসেবে চাল আমদানি করছে এমন ১৬টি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানকে নোটিশ করা হয়েছে। তাদের কাছে বিভিন্ন তথ্য চাওয়া তথ্য হয়েছে নোটিশে। ২ দিনের মধে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ এসব তথ্য সরবরাহ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে আমদানি চালের পরিমান ও ক্রয়মূল, বিক্রয় চালান ও মজুদ। এছাড়াও আমদানি শুল্ক ছাড়ের পরিমাণ, লাইসেন্স, বিক্রয়মূল্য, পরিবহন ও বাজারজাত খরচসহ অন্যান্য কাগজপত্র চাওয়া হয়েছে। এমনকি ক্রেতাদের মুঠোফোন নাম্বার চাওয়া হয়েছে। উদ্দেশ্য সত্যিকার অর্থে তাদের কাছে চাল বিক্রি হয়েছে কিনা সেটির যাচাই।
সূত্র বলছে, কালোবাজারে বিক্রি করে চালের সংকট সৃষ্টি ও দাম বৃদ্ধি বন্ধে এই তৎপরতা চলছে। কোন গড়মিল পাওয়া গেল জুডিশিয়াল কোট (বিচারিক আদালত) কিম্বা থানায় মামলা করা হবে। পাশাপাশি পরিচালনা করা হবে ভ্রাম্যমান আদালত। জেলা বাজার কর্মকর্তা সুজাত হোসেন খান জানান, গত বছর শুল্ক হ্রাস সুবিধায় আমদানির চালের বেশ অনেক পরিমাণ কালোবাজারে বিক্রি হয়ে যায়। ৩৪ টাকায় কেনা চাল ৩৮ টাকার মতন দামে খোলা বাজারো বিত্রি করে দেওয়া হয়। সেজন্য এবার সর্তক অবস্থানে রয়েছে তার দপ্তর। চাল নিয়ে কোন কারসাজি এবার করতে দেওয়া হবে না-বলে আরও জানান তিনি।
জানা গেছে, নোটিশ পাওয়া যশোরের এসব চাল ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের অনেকে ইতিমধ্যে চাল আমদানি করেছে। অনেকের আমদানি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আর এসব ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের কঠোর নজরদারি মধ্যে থাকছে। নোটিশ পাওয়া ১৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে, যশোর সদরের চুরামনকাটির গুলদার এন্টারপ্রাজ, অভনয়গরের নওয়াপড়া স্টেশন বাজারের এপি ট্রেডিং, আসিফ ট্রেডার্স, লাকী এন্টারপ্রাইজ, আহম্মদ ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, বাবর ইন্টার ন্যাশনাল, শার্শা নাভারন রেল বাজারের নাসিম এন্টারপ্রাইজ, নাভারন পুরাতন বাজারের ইসলামপুর রাইস মিল, বেনাপোলের এসএমএম ইন্টারন্যাশনাল, হাজী মোছা করিম এন্ড সন্স, সসতা ফিশ, সততা ফিশ ফিড, টিএম ফিড মিল, শ্যামলাগাছির চৌধুরী অটো রাইস মিল, ঝিকরগাছার ইসমাইল মিলন ও এসএ এন্টারপ্রাইজ।

আপনার মতামত লিখুন :