সালিশ বৈঠকে সংঘর্ষে ৩ খুন:লাশ নিয়ে এলাকায় মিছিল

18

মুন্সীগঞ্জে সালিশ বৈঠকে সংঘর্ষে তিনজন নিহত হওয়ার ঘটনায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে লাশ নিয়ে বিক্ষোভ করেছেন নিহতদের স্বজন ও এলাকাবাসী।

বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে নিহত ইমনের লাশ নিয়ে মিছিল বের করেন এলাকাবাসী। পুলিশি বাধার মুখে পড়লেও মিছিলটি উত্তর ইসলামপুর থেকে শহরের প্রধান সড়ক ও প্রেসক্লাব হয়ে পুনারায় ইসলামপুরে ফিরে যায়।

এ ঘটনায় ওই এলাকায় উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

মিছিলে অংশ নেয়া লোকজন বর্বরোচিত এই হামলায় ঘটনায় জড়িতদের ধরে দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেন।

বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের উত্তর ইসলামপুর এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সালিশ বৈঠকে চলা এই সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই মো. ইমন হোসেন (২২) মারা যান। হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান মো. সাকিব হোসেন নামে ১৯ বছর বয়সী এক যুবক। এছাড়া বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় ঢাকা মেডিকেলে হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আওলাদ হোসেন মিন্টু নামে ৪৭ বছর বয়সী এক ব্যক্তি।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার ইসলামপুর এলাকায় ইভিটিজিংয়ের একটি ঘটনা নিয়ে বুধবার রাতে ১০টার দিকে সালিশ বৈঠক শুরু হয়। বিষয়টি মিথ্যা প্রমাণিত হলে স্থানীয় কিশোর সৌরভ ও ইমনের সঙ্গে হাতাহাতি শুরু হয়। এ সময় সৌরভের লোকজন ও ইমনের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মারামারিতে জড়ান। এতে ঘটনাস্থলেই ইমন পাঠান নিহত হয়। ঢাকা নেওয়ার পথে মারা যায় সাকিব। আহত হন ওই ঘটনায় বিচারকসহ আরও পাঁচজন। যাদের মধ্যে তিনজনকে গুরুতর অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল পাঠানো হলে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় আওলাদ হোসেন মিন্টু মারা যান।

মুন্সীগঞ্জ পুলিশ সুপার আব্দুল মোমেন জানান, বিষয়টি জানার পরপরই ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তারসহ ১০জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।