সাদা পোশাকে অস্ত্র প্রদর্শন করা যায় ? প্রশ্ন মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের

10

এবিসি ডেস্ক:সাদা পোশাকে অস্ত্র প্রদর্শন করা যায় কিনা,স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে তা জানতে চেয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিবের কাছে আদেশক্রমে জানতে চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্মসচিব শফিউল আজিম। সম্প্রতি এ চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্মসচিব শফিউল আজিমের সই করা চিঠিতে সাদা পোশাকে প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রদর্শনের বিষয়ে সরকারের কোনও নীতিমালা, প্রজ্ঞাপন, পরিপত্র বা নির্দেশনা আছে কিনা, এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, বাংলাদেশ সচিবালয়সহ অন্যান্য বিভিন্ন সরকারি অফিস কিংবা বিভিন্ন জনসমাগমস্থলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীসহ বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা এবং প্রাধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তির দেহরক্ষী বা গানম্যান কর্তৃক সাদা পোশাকে জনসম্মুখে আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন ও বহন করছে। ‘আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স প্রদান, নবায়ন ও ব্যবহার নীতিমালা ২০১৬’-তে কোনও ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন সম্পর্কিত বিষয়ে উল্লেখ থাকলেও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এবং বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা সাদা পোশাকে প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন বিষয়ে এ নীতিমালায় কিছু উল্লেখ নেই।

চিঠিতে বলা হয়, আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিআরটিএ’র নম্বরবিহীন গাড়ি এবং সচিবালয়ে প্রবেশের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেওয়া স্টিকার ছাড়া সচিবালয়ের অভ্যন্তরে চলাচলকারী গাড়ির বিরুদ্ধে আইন/বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজন। এমতাবস্থায় এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইন বা বিধির আলোকে ব্যবস্থা গ্রহণ করে তা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে জানানোর অনুরোধ করা হয় ওই চিঠিতে।

আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও বিভিন্ন সংস্থার সদস্যদের সাদা পোশাকে প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রদর্শন বিষয়ে কোনও নীতিমালা, প্রজ্ঞাপন, পরিপত্র বা নির্দেশনা জারি হয়েছে কিনা, তা এই বিভাগ অবহিত নয় বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

এতে আরও বলা হয়, প্রাধিকারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ছাড়া গানম্যানসহ প্রটেকশন কার (গাড়ি) ব্যবহার ও প্রাধিকারের বিষয়ে কোনও নির্দেশনা বা বিধি রয়েছে কিনা, স্পষ্ট নয়। অধিকন্তু, বিভিন্ন সংস্থার স্টিকার ব্যবহার করে রেজিস্ট্রেশন ও নম্বরপ্লেটবিহীন মোটরযান চলাচলও দৃশ্যমান হচ্ছে। প্রচলিত আইন-বিধি অনুযায়ী যা নিরাপত্তা শৃঙ্খলার পরিপন্থী বলেও মনে করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।