সাতক্ষীরায় অভ্যন্তরীণ কোন্দলে জড়িয়েছেন আইনজীবীরা

11

>>মামলা পাল্টা মামলা:আপস রফার উদ্যোগ নেই
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাড. শাহ আলমের বিরুদ্ধে রোববার দ্রুত বিচার আইনে আরও তিনটি মামলা করেছেন তিনজন সিনিয়র আইনজীবী। এরআগে তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা করেন সাতক্ষীরার পিপি অ্যাড. আবদুল লতিফ। এনিয়ে তার ও তার অনুসারী আইনজীবীদের বিরুদ্ধে মোট চারটি মামলা দায়ের করা হলো। অপরদিকে অ্যাড. শাহ আলম সিনিয়র আইনজীবী অ্যাড. এসএম হায়দর, অ্যাড.সম সালাহউদ্দিন এবং অ্যাড. আবদুল মজিদের বিরুদ্ধে কয়েকদিন আগে দ্রুত বিচার আইনে একটি মামলা করেন।
আরও খবর>> সাতক্ষীরায় তুচ্ছ ঘটনায় আইনজীবীদের নেমপ্লেট ভাংচুর 

সাতক্ষীরার পিপি অ্যাড. আবদুল লতিফ জানান-অ্যাড. শাহ আলমের বিরুদ্ধে রোববার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. রেজয়ানুজ্জামানের আদালতে তিনটি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় অভিযোগ করা হযেছে, সম্প্রতি অ্যাড. শাহ আলমের নেতৃত্বে তার অনুসারীরা সাবেক পিপি এসএম হায়দর, সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য সম সালাহউদ্দিন ও সাবেক সভাপতি আব্দুল মজিদের ল. চেম্বারের নাম ফলক ভেঙ্গে পদদলিত করে তাদের অফিস কক্ষ ভাংচুর ও তছনছ করেন। এই তিন মামলার বিিদ হয়েছেন অ্যাড. সেলিনা আক্তার শেলী, অ্যাড. নুরুল আমীন ও অ্যাড. শাহিনুজ্জামান শাহিন। প্রতি মামলায় এ্যাড. শাহ আলমকে প্রথম বিবাদীভূক্ত করে প্রথমটিতে ২০ জন, দ্বিতীয়টিতে ২০ জন এবং তৃতীয়টিতে ১৮ জনকে বিবাদীভুক্ত করা হয়েছে এবং বিচারক মামলা তিনটি তদন্ত করে ১৫ দিনের মধ্যে আদালতে পেশ করার নির্দেশ দিয়েছেন পিবিআইকে।
উল্লেখ্য গত ২৬ এপ্রিল জেলা জজ আদালতে একটি ধর্ষণ মামলার ভার্চুয়াল শুনানী চলাকালে পিপি অ্যাড. আবদুল লতিফকে উদ্দেশ্য করে অশোভন ভাষায় কটূক্তি করেন বিবাদী পক্ষের আইনজীব অ্যাড. শাহ আলম। এ নিয়ে হট্টগোলের এক পর্যায়ে কয়েকজন সিনিয়র আইনজীবী বিষয়টি সম্পর্কে জানতে তার ল’ চেম্বারে গেলে অ্যাড. শাহ আলম ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের ওপর চড়াও হন এবং চেয়ার উচিয়ে তেড়ে আসেন। এ সময় তার সাথে ধস্তাধস্তি ও কিলচড় ঘুষোঘুষির মতো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে কয়েকজন সিনিয়র আইনজীবী কম বেশি আহত হন। অপরদিকে শাহ আলম লাঞ্ছিত হন। অ্যাড.শাহ আলম এ ঘটনায় ১০ জন সিনিয়র আইনজীবীর নাম উল্লেখ করে দ্রুত বিচার আইনে একটি মামলা করেন। তার আগে অ্যাড. আবদুল লতিফ অ্যাড. শাহ আলমের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা করেন।