শুক্রবার আসছে মডার্নার ২৫ লাখ ডোজ

এবিসি বাংলা ডেস্কএবিসি বাংলা ডেস্ক
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  06:28 PM, 01 July 2021
ফাইল ছবি

কোভ্যাক্স সুবিধার আওতায় আগামী দুই দিনে বাংলাদেশে আসছে করোনাভাইরাস প্রতিরোধী মডার্নার ২৫ লাখ ডোজ। আজ বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এই তথ্য জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আগামীকাল ২ জুলাই রাত ১১টা ২০ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্র থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মডার্না থেকে মোট ২৫ লাখ টিকার প্রথম চালানে প্রায় ১২ লাখ ডোজ আসবে। পরদিন ৩ জুলাই আসবে বাকি ১৩ লাখ।

আগামীকাল এ টিকা গ্রহণ করতে রাত ১১টা ২০ মিনিটে তিনি বিমানবন্দরে উপস্থিত থাকবেন বলেও জানান।

প্রসঙ্গত, গত ২৯ জুন দেশে জরুরি ব্যবহারের জন্য মডার্নার টিকাকে অনুমোদন দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদফতর। সেদিন এই টিকা ব্যবহারের জন্য ইমারজেন্সি ইউজ অথরাইজেশন দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান।

এর আগে গত ২৫ জুন কোভ্যাক্স সুবিধার আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের মডার্নার ২৫ লাখ ডোজ টিকা পাওয়া যাবে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সেদিন তিনি বলেন, ‘টিকা পেতে গত জুনে কোভ্যাক্সকে চিঠি দেয় বাংলাদেশ। সেই হিসেবে পর্যায়ক্রমে প্রায় সাত কোটি টিকা দেওয়ার কথা আমাদের।’

এর ঠিক একদিন পরই কোভ্যাক্স উদ্যোগের আওতায় বাংলাদেশকে মডার্নার ২৫ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন দেবে যুক্তরাষ্ট্র বলে টুইটারে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলার।

মডার্নার টিকাটি গত ২২ জানুয়ারি জরুরি ব্যবহার্য টিকার তালিকায় যুক্ত করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং গত ১৮ ডিসেম্বর ইউএস-এফডিএ এবং ইউরোপিয়ান মেডিসিন এজেন্সি জরুরি ব্যবহারের জন্য এই টিকার অনুমোদন দেয়। মডার্নার এই টিকা ১৮ বছর এবং তদূর্ধ্ব বয়সের ব্যক্তিদের জন্য প্রযোজ্য। এই টিকার প্রথম ডোজ গ্রহণের ৪ সপ্তাহ পর দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া যাবে। এই টিকার সংরক্ষণ তাপমাত্রা ১৫ থেকে ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ভ্যাকসিনটি ব্যবহারের আগে ২-৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ৩০ দিন এবং ৮-২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যাবে।

এর আগে ঔষধ প্রশাসন অধিদফতর যেসব ভ্যাকসিনকে জরুরি প্রয়োগের অনুমতি দেয় তার মধ্য আছে—অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার ফর্মুলায় ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে তৈরি কোভিশিল্ড, রাশিয়ার তৈরি স্পুটনিক ভি, চীনের সিনোফার্ম ও সিনোভ্যাক, বেলজিয়ামের তৈরি ফাইজার, জনসন অ্যান্ড জনসনের তৈরি জেনসেন এবং সুইডেনের তৈরি অ্যাস্ট্রাজেনেকা।

আপনার মতামত লিখুন :