শার্শার বেনাপোলে গাছে গাছে বাদুরের অভয়াশ্রম

32

বেনাপোল সংবাদদাতা:পরিবেশের ভারসম্য রক্ষায় গুরুত্বপুর্ণ ভুমিকা রাখে গাছ-পালা ও বন্যপ্রাণী। বিভিন্ন ধরণের বন্যপ্রাণীকে বেশির ভাগ মানুষ পছন্দ করেন। তবে নানা কারণেই এখন বন্যপ্রাণীর সংখ্যা কমে গেছে।
যশোরের শার্শার নাভারণসহ বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন গাছে এখন পাখির কিচির মিচির কমে গেলেও কয়েকটি গ্রামের পুরানো গাছে বসছে হাজার হাজার বাদুর। দিনভর গাছে গাছে বাদুরের কিচির মিচির শব্দে মুখরিত হচ্ছে এসব এলাকা। এই দৃশ্য উপভোগ করতে অনেকে আসছেন এসব এলাকায়।
স্থানীয়রা বলছেন, ঝিলে বিলে খালে জলশয়ে ও সবুজ অরণ্যে হরেক রকমের পাখির আনাগোনা ও কোলাহল এখন আর দেখা যায় না। উজার হয়েছে বন। বিলিন হয়েছে খাল। শিকারীদের ছোবলে কমছে অতিথি পাখি। ফলে পরিবেশের ভারসম্য হারাচ্ছে। শীতের আগমনে কিছু পাখির আগমন ঘটলেও আলোর ঝলকানি ও উচ্ছ শব্দের কারনে এখন পাখির দেখা মেলে কম। যশোরের গোগা কায়বা পুটখালি এলাকায় পুরানো গাছে বসা বাদুর দেখে মন জুড়াচ্ছেন অনেকে। দূর দূরান্ত থেকে আসছেন দর্শনার্থীরা। স্থানীয়রা বাদুরের রক্ষায় সতর্ক থাকায় নিরাপদ অভয়াশ্রমে রুপ নিয়েছে। খুশি পথচারি দর্শনার্থীসহ স্থানীয়রাও।
বিভিন্ন স্থানে রাতে ঘুরে ফিরে খাদ্য খেয়ে দিনে বসে গাছে। পা দিয়ে গাছর ডাল ধরে মুখ থাকে নিচেই দিকে। অনেকে আসে এসব বাদুর দেখতে। বৃক্ষ রাজির নীড়ে পাখির কিচির মিচিরে মুগ্ধ হচ্ছেন দর্শনার্থী ও পাখি প্রেমি মানুষ। পাখি দেখতে বাড়ছে মানুষের ভীড়। বৃক্ষ ও পাখি সংরক্ষণে সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা মাসুমা পারভিন জানান, উড্ডয়ন সম্পন্ন স্তন্যপায়ী প্রাণী বাদুর। বিভিন্ন ফুলের পরাগায়নসহ পরিবেশের ভারসম্য রক্ষায় বাদুর গুরুত্বপুর্ণ ভুমিকা রাখে। যেকারণে বাদুরের সুরক্ষা দিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।