লোহাগড়ায় স্কুলে ব্যক্তি উদ্যোগে লাখ টাকায় শহীদ মিনার নির্মাণ

12

>>নতুন মিনার পেয়ে খুশি শিক্ষার্থী অভিভাবকসহ এলাকাবাসী
লোহাগড়া (নড়াইল)প্রতিনিধি:
অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে স্কুল শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকরা উপহার হিসাবে পেয়েছেন নতুন শহীদ মিনার। নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার কে,ডি,আর,কে মাধ্যমিক বিদ্যালয় চত্বরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক অর্থ বিষয়ক সম্পাদক বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী আলহাজ¦ সৈয়দ বোরহান উদ্দিন নিজ অর্থায়নে এই শহীদ মিনার নির্মাণ করে দিয়েছেন। নতুন শহীদ মিনার পেয়ে খুশি সকলেই। ভাষা দিবসে নতুন শহীদ মিনারকে ঘিরে সবার মাঝেই যেন নতুন উদ্দপিনার সৃষ্টি হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রবিবার ভাষা দিবসের সকালে শহীদ বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলী জানিয়ে ও দোয়া মাহফিলের মধ্যদিয়ে নতুন শহীদ মিনারের শুভ উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ব্যবসায়ি আলহাজ¦ সৈয়দ বোরহান উদ্দিন। উদ্বোধনী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠানে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মুন্সী হুমায়ন কবীর জামাল সভাপতিত্ব করেন। এসময় বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুভাষ চন্দ্র কুন্ডু, বিশিষ্ট ব্যবসায়ি মোল্যা সেলিমুজ্জামান, সমাজসেবক সরদার আব্দুল হান্নান, মুন্সী বদিউজ্জামান, শেখ আজিজুর রহমান, মাহমুদুল হাসান লিটু, সহকারী প্রধান শিক্ষক আসমা সুলতানা, শিক্ষক বিএম মিজানুর রহমান, রেবেকা সুলতানা, ডাঃ সদিকুর রহমান, হাফেজ মাও. সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ।
বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী সেতু মন্ডল ও জুলিয়া খানম বলেন, নতুন ও বড় একটি শহীদ মিনার পেয়ে আমরা অনেক খুশি। ভাল লাগছে মাতৃভাষার দিনেই নতুন শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলী দিতে পেরেছি। নবম শ্রেণির ছাত্রী নওরিন নাহার মিতু বলেন, নতুন শহীদ মিনার আমাদের মনে নতুন উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে।
বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মুন্সী হুমায়ন কবীর জামাল তার বক্তব্যে বলেন, ভাল কাজ করতে ভাল মন লাগে। বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ¦ সৈয়দ বোরহান উদ্দিন বিদ্যালয় চত্বরে প্রায় এক লাখ টাকা ব্যয়ে শহীদ মিনার নির্মাণ করে দেয়ায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবকদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। এটি ভাষা শহীদদের প্রতি সম্মান।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক অর্থ বিষয়ক সম্পাদক বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী আলহাজ¦ সৈয়দ বোরহান উদ্দিন বিদ্যালয়ের সকল উন্নয়নমূলক কাজে সম্পৃক্ত থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, মহান এই ভাষা দিবসে শিক্ষার্থীদের শপথ নিতে হবে ‘ভাল করে পড়াশোনা করে মা-বাবার মুখ উজ¦ল করবো।