যশোর শহরের দড়াটানায় পুলিশ চেক পোস্ট নিয়ে সাংবাদিক মুনের আবেগঘন পোস্ট

এবিসি বাংলা ডেস্কএবিসি বাংলা ডেস্ক
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  03:06 AM, 11 July 2021

 

করোনা সংক্রমণ রোধে দেশজুড়ে সর্বাত্বক চলছে সরকারি বিধিনিষেধ। সীমান্তবর্তী জেলা যশোরে করোনা পরিস্থিতি দিনকে দিন ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। এ অবস্থায় পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী যশোর শহরের গুরুত্বপুর্ণ স্থানসমূহে চেকপোস্ট বসিয়ে নিরলসভাবে কাজও করে যাচ্ছে। এতে প্রশংসতিও হচ্ছে বাহিনীর সদস্যরা। কিন্তু সব প্রশংসা বিসর্জন দিচ্ছে যশোর জেনারেল হাসপাতাল সংলগ্ন দড়াটানার চেক পোস্টটি। মুমূর্ষ রোগী বহনকারী এ্যাম্বুলেন্সকেও হাসপাতালে প্রবেশ করতে ঘুরে যেতে হচ্ছে বিকল্পপথে। আরও খবর>>যশোরে ২৪ ঘন্টায় করোনা নিলো ১২ জনের প্রাণ:শনাক্তের হার ৩৯.৭৭ শতাংশ

অক্সিজেন সিলিন্ডারও নামিয়ে দেয়া হচ্ছে চেকপোস্টে। এরফলে কখনো রোগী কখনো বা অক্সিজেন সিলিন্ডার হাসপাতালে পৌঁছাতে খানিকটা সময় বেশি লেগে যাচ্ছে। ভুক্তভোগীরা বলছেন এই বিলম্বের কারণে মুমূর্ষ রোগীর যে প্রাণ ঝরছে না তা কে বলতে পারে ? প্রতিদিনই যশোরে ৬ থেকে ১৭ জন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। এনিয়ে রীতিমত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও সমালোচনার ঝড় বইছে। ফেসবুক আইডিতে মিজানুর রহমান মুনের আবেগঘন পোস্ট লিঙ্ক
যশোর থেকে প্রকাশিত দৈনিক স্পন্দনের বার্তা সম্পাদক মিজানুর রহমান মুন তার ফেসবুক আইডিতে ভিডিও ও ছবিসহ লিখেছেন এক আবেগময়ী স্ট্যাটাস। যা হুবুহ তুলে ধরা হলো: ‍

মিজানুর রহমান মুন লিখেছেন-দুর্গম গিরি কান্তার মরু পারাবার হে ! লঙ্ঘিতে হবে রাত্রি নিশীথে, যাত্রীরা হুঁশিয়ার!! আসলে যশোর শহরের দড়াটানার অবস্থা এখন এইরকম পর্যায়ে। মূল পথ বন্ধ করলেও পকেট গেটে বাঁশ বেঁধে দিলেও কোন ভাবেই রোধ করা যাচ্ছে না পারাপার। আবার জরুরিভাবে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে রোগী আনতে ও স্বজনদের কাছে আসতে বেগ পেতে হচ্ছে। রীতিমতো দেখা গেল এক স্বজন রিকশায় চেপে অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে হাসপাতালের দিকে যাচ্ছিলেন কিন্তু ব্যারিকেডের কাছে এসে হোঁচট খেতে হলো । তাঁকে কয়েকজন স্বেচ্ছাসেবক এসে ঘিরে ধরে রিকশা থেকে নামিয়ে দিলো । অগ্যতা বেচারা সেই সিলিন্ডার ঘাড়ে করে হাঁটতে শুরু করেন গন্তব্যে।
সচেতন মহলও মনে করেন চেকপোস্ট থাকলেও এ্যাম্বুলেন্স ও অক্সিজেন বাহি যান চলাচলে যে বাঁধা সৃষ্টি করছে পুলিশ তা বন্ধ হওয়া জরুরী।
বিষয়টিতে পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন ভুক্তভোগীসহ সচেতন মহল।

খুলনা বিভাগ

আপনার মতামত লিখুন :