যশোর পৌর নির্বাচনে ইভিএম-এ ভোট প্রদানের প্রশিক্ষণ ২৯ মার্চ

14

এবিসি নিউজ:আগামী ৩১ মার্চ যশোর পৌরসভার নির্বাচন। বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী মারুফুল ইসলাম এই নির্বাচন থেকে ইতোমধ্যে সরে দাঁড়িয়েছেন। তাই মেয়র পদে নৌকার প্রার্থী হায়দার গনি খান পলাশের বিজয় অনেকটা সুনিশ্চিত বলে মনে করছেন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মহল। মেয়র প্রার্থী নিয়ে আ’লীগের চিন্তা না থাকায় এই ভোটকে উৎসবমুখর করতে সরকারও আন্তরিক। এবার কাউন্সিলর প্রার্থীদের নিজ যোগ্যতায় বৈতরণী পার হতে হবে। কোন রকম জোর জবরদস্তির সুযোগ তারা পাবে না। আরও খবর>>যশোর পৌর নির্বাচনকে ঘিরে পুলিশী অভিযান শুরু

জানা যায়, যশোর পৌরসভায় কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ৬৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। কিন্তু মেয়র পদে নৌকার প্রার্থীর শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় ভোটারদের আগ্রহ কমে গেছে। যশোর পৌরসভা এবার ভোট হবে ইভিএম-এ। প্রতিটি ভোটারকে কেন্দ্রে এসেই ভোট দিতে হবে। যশোর পৌরসভায় প্রথমবারের মতো ইভিএম-এ ভোট হওয়ায় ভোটারদের মধ্যে কৌতূহল থাকলেও আগ্রহ কম। এমন পরিস্থিতিতে আগামী ২৯ মার্চ ভোটারদের প্রশিক্ষণ দিতে পরীক্ষামূলক ভোটগ্রহণের আয়োজন করেছে নির্বাচন কমিশন। ঐদিন যশোর পৌরসভার সব কেন্দ্রে ভোটারদের হাতে-কলমে ভোট প্রদানের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলবে এই প্রশিক্ষণ।

এই মক ভোট বা প্রশিক্ষণকে সামনে রেখে তৎপর হয়েছেন কাউন্সিলর প্রার্থীরা। তারা ভোটের দিনকে পরিকল্পনায় রেখে ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে এই প্রশিক্ষণে অংশ নেয়ার আহবান জানাচ্ছেন। অনেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম-ফেসবুকেও প্রচারণা চালাচ্ছেন।

সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার ও যশোর পৌরসভা নির্বাচনের রিটারর্নিং অফিসার হুমায়ুন কবির বলেন, আগামী ৩১ মার্চ যশোর পৌরসভায় সকাল আটটা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ করা হবে। এবার প্রথমবারের মতো ইভিএম-এ ভোট গ্রহণ করা হবে। ভোটের দিন যাতে কোন সমস্যা না হয়, ভোটাররা যাতে স্বাচ্ছন্দে ভোট প্রদান করতে পারেন এজন্য তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। আগামী ২৯ মার্চ সেই প্রশিক্ষণের দিন ধার্য করা হয়েছে। পৌরসভার সব ভোট কেন্দ্রে এদিন প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।