যশোরে টিকাদান কার্যক্রম পরিদর্শন মীরজাদী ফ্লোরার

বিশেষ প্রতিবেদকবিশেষ প্রতিবেদক
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  02:29 PM, 31 October 2021

স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা যশোরে করোনার টিকা প্রদান কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন। আজ রবিবার(৩১ অক্টোবর) সকালে তিনি যশোর জেনারেল হাসপাতালে আসেন।

তিনি সিভিল সার্জন ডাক্তার শেখ আবু শাহীন ও যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার আখতারুজ্জামানের কাছ থেকে করোনাভাইরাস প্রতিরোধী ভ্যাকসিন (টিকা) প্রদান উৎসবের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেন। পরে তিনি কেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করাসহ ভ্যাকসিন প্রদানকারী স্বাস্থ্যসেবী ও টিকা গ্রহীতাদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

এ সময়  ডেপুটি সিভিল সার্জন সাইনুর সামাদ, হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডাক্তার হিমাদ্রি শেখর সরকার, মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডাক্তার নজরুল ইসলাম, হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার আরিফ আহমেদ, সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার রেহেনেওয়াজ রনি, প্রশাসনিক কর্মকর্তা আরিফুজ্জামান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় অধ্যাপক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, যশোরে উৎসবমুখর পরিবেশে মানুষ টিকা গ্রহণ করছেন। এটি অত্যন্ত আনন্দের বিষয়। করোনা মহামারি প্রতিরোধে ভ্যাকসিন প্রদানের জন্য সরকার সবধরনের ব্যবস্থা করেছে। সারাদেশে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। করোনা মহামারি থেকে বাঁচতে টিকা গ্রহণের বিকল্প নেই উল্লেখ করে তিনি সতর্কতা বজায় রাখার নির্দেশ দেন। ভ্যাকসিন গ্রহণের পরই মাক্স খুলে ঘুরলে হবে না। মাক্স অবশ্যই পরতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম চলমান থাকবে। এটি বন্ধ হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই বলেও জানান।

সিভিল সার্জন শেখ আবু শাহীন জানান, যশোরে সিনোফার্মের পাশাপাশি ২৮ অক্টোবর থেকে ফাইজারের টিকা দেয়া হচ্ছে। চলমান রয়েছে জেলার আটটি পৌরসভার ও ৯৩ টি ইউনিয়নে গণটিকা টিকাদান কার্যক্রম। বর্তমানে জেলায় টিকার সংকট নেই। জেলায় আরো টিকা আসবে। ফলে চলমান ও গণটিকা দিতে সমস্যা হবে না।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক আখতারুজ্জামান বলেন, যশোরে সকলে এখন টিকা নিতে আগ্রহী হয়ে উঠেছে। প্রতিদিন টিকার লাইন দীর্ঘ হচ্ছে। যারা নিবন্ধন করেছেন সকলেই টিকা পাবেন। তবে, টিকা দান কেন্দ্রে সকলকে স্বাস্থ্যবিধি অবশ্যই মানতে হবে। বর্তমান হাসপাতালের টিকাদান কেন্দ্রে ছয়টি বুথে টিকা দেয়া হচ্ছে। তার মধ্যে চারটি সকলের জন্য, একটি ভিআইটি ও একটি গর্ভবতী মায়েদের জন্য। এ সব টিকা কেন্দ্রে সেবিকাদের সাথে ১৭ জন স্বেচ্ছাসেবক সার্বক্ষণিক কাজ করছেন।

বাংলাদেশ

আপনার মতামত লিখুন :