মোংলায় পৌসভার পর ইউনিয়ন পর্যায়ে কঠোর বিধি নিষেধ

21

>>করোনার নমুনা পরীক্ষা পর্যাপ্ত না হওয়ায় এলাকাবাসীর ক্ষোভ
মোংলা প্রতিনিধি:ভয়াবহতার দিকে ধাবিত হচ্ছে মোংলা বন্দর এলাকায় করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি। এক দিকে চলছে কঠোর বিধি নিষেধ, তার মধ্যেও মানুষের মাঝে আসছে না স্বাস্থ্য সচেতনতা। পৌর এলাকা ছাড়া ইউনিয়ন পর্যায়েও কঠোর বিধি নিষেধের আওতায় আনতে যাচ্ছে উপজেলা প্রশাসন, চলছে প্রচার সচেতনতামূলক প্রচারণাও। আরও খবর>>মোংলায় ৫৯ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৩৩ জন শনাক্ত:দু’জনের মৃত্যু

মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত করোনা উপসর্গ নিয়ে ৫৯ জন নমুনা পরীক্ষায় ৩৩ জনের রিপোর্ট এসেছে পজেটিভ। এরমধ্যে গত ৪৮ ঘন্টায় মঙ্গলবার দুইজন ও বুধবার দুইজন করেনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। এরআগে গত শনিবার ৪২ জনের মধ্যে ৩১ জন ও শুক্রবার ২২ জনের মধ্যে ১৬ জন শনাক্ত হয়েছেন। সপ্তাহে মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার দুইদিন করোনা ভাইরাস পরিক্ষা এবং পর্যাপ্ত পরিমান না হওয়ায় ক্ষোভ সাধারণ মানুষের মাঝে।

করোনা আক্রান্ত ও করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুসহ সংক্রমণ বাড়লেও কেন যেন সচেতনতা বাড়ছে না সাধারণ মানুষের মাঝে। চেকপোস্টে পুলিশ পাহারার মধ্যেও পৌর শহরের প্রধান কাঁচা, মুদি ও মাছ-মাংসের দোকানেও অধিকাংশ লোকজনকে দেখা গেছে মাস্ক বিহীন, ঘা-ঘেঁষা ভাবে চলাচল করতে।

ভারতীয় ভেরিয়েন্ট’র কোন লক্ষণ এই মুহুর্তে আমাদের কাছে নেই। তবে করোনা সংক্রমণের হার কি কারণে বৃদ্ধি হয়েছে তা খতিয়ে দেখছে স্বাস্থ্য বিভাগ।
তবে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বা নাগরিক দায়িত্ব না আসলে সংক্রমণ রোধ করা কঠিন হয়ে পড়বে। করোনা মহামারী প্রতিরোধ করা সরকারের একার পক্ষে সম্ভব না। প্রশাসন যতই তৎপর থাকুন, মানুষ যতক্ষণ সচেতন না হচেছ ততক্ষণ করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ প্রায় অসম্ভব বলে জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কমলেশ মজুমদার।