মোংলার তৃতীয় লিঙ্গের প্রেমাকে ফের হত্যার চেষ্টা

8

>>পুর্ব শত্রুতা ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ
>>পুলিশশ ব্যবস্থা না নেয়ায় আদালতে দুটি মামলা
মোংলা প্রতিনিধি:আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ও পুর্ব শত্রুতার জেরে ফের প্রেমা নামের তৃতীয় লিঙ্গের এক ব্যক্তিকে মেরে রক্তাক্ত জখম করেছে প্রতিপক্ষ একদল সন্ত্রাসী। সোমবার (২৯ মার্চ) রাত ১০টায় মোংলা উপজেলা বাসস্ট্যান্ডে এ ঘটনা ঘটে। তাকে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে কৌশলে খুলনা যাওয়ার কথা বলে শিখা ও শিলা হিজড়াসহ তাদের সন্ত্রাসী বাহিনী আর্তকিত হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত জখম করে মৃত্যু ভেবে তাকে ফেলে রেখে চলে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এ ব্যাপারে মোংলা থানায় অভিযোগ দিয়ে কোন প্রতিকার না পেয়ে বৃহস্পতিবার বাগেরহাট আদালতে মামলা করেন তার মা মজিদা বেগম।
অভিযোগ সুত্রে ও আহত প্রেমার মা মজিদা বেগম জানান, গত ২৯ মার্চ সকাল ৯টার দিকে আমার মেজো সন্তান কাওছার ওরফে প্রেমা হিজড়াকে খুলনায় অনুষ্ঠানে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে শিখা ও শিলা হিজড়া পূর্ব পরিকল্পিতভাবে তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। রাত আনুমানিক ১০টার দিকে আমরা জানতে পারি প্রতিপক্ষরা পুর্ব শত্রুতার জেরে আমার সন্তান কাওছার ওরফে প্রেমাকে খুলনায় নিয়ে দিনভর বিভিন্ন জায়গায় কালক্ষেপন করে। পরে গাড়িযোগে মোংলায় আসার পর বাসস্ট্যান্ডের পাশে একটি ঝোপের পাশে নিয়ে শিখা ও শিলাসহ তাদের সহযোগী কয়েকজন সন্ত্রাসী মিলে গলায় ওড়না পেচিয়ে হত্যা করার চেষ্টা করে। এসময় তাকে লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে বেধড়ক মারধর করে। তাকে গলা টিপে হত্যা করায় তার গলায় মারাত্মকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়। এছাড়া তার ডান পা ভেঙ্গে যায় এবং শরীরে বিভিন্ন জায়গায় রক্তাক্ত জখম হয়। প্রেমার সাথে থাকা মোবাইল, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নিয়ে যায় এসব সন্ত্রাসীরা। এসময় তার ডাক চিৎকারে এলাকবাসী ছুঁটে আসলে শিলা ও শিখাসহ তাদের দলবল প্রেমাকে অচেতন অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন মোংলা বাসস্ট্যান্ড থেকে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখে তার পরিবারকে খবর দেয়। খবর পেয়ে রাত ১০টার দিকে মোংলা বাসস্ট্যান্ড থেকে কাজী রাজুসহ তার পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে এবং বিষয়টি রাতেই মোংলা থানায় অভিযোগ দেন এবং প্রেমাকে মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্ের ভর্তি করেন। বর্তমানে প্রেমা মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসারত থাকলেও গত ৩৬ ঘন্টায় তার অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। সন্ত্রাসী শিখা ও শিলা হিজড়া তাদের ক্ষমতা ও আধিপত্য বিস্তারের জন্য এরআগেও বেশ কয়েকবার প্রেমাকে হত্যার পরিকল্পনা করে তার উপর হামলা চালিয়েছে।
এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ দিলেও কোন ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ। যেকারণে আবদুল গফুর চৌধুরীর সন্তান শিখা হিজড়া ও আব্দুস ছত্তারের সন্তান শিলা হিজড়াসহ অজ্ঞাত আরো কয়েকজনকে আসামি করে বৃহস্পতিবার সকালে বাগেরহাট আদালতে মামলা দায়ের করেন প্রেমার মা মজিদা বেগম।
মোংলা থানার সেকেন্ড অফিসার মোঃ জাহাঙ্গির আলম বলেন, দুই তিন দিন পুর্বে একটি মারামারীর ঘটনা নিয়ে থানায় অভিযোগ হয়েছে। বিষয়টি এসআই বিশ্বজিৎ ভুখার্জিট তদন্ত করছেন। তবে আদালতের মামলার বিষয় কিছুই জানেন না বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।

পুর্ব শত্রুতা ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ
মোংলার তৃতীয় লিঙ্গের প্রেমাকে ফের
হত্যার চেষ্টা ॥ আদালতে দুটি মামলা (৩)

মোংলা প্রতিনিধি ॥ আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ও পুর্ব শত্রুতার জেরে ফের প্রেমা নামের তৃতীয় লিঙ্গের এক ব্যক্তিকে মেরে রক্তাক্ত জখম করেছে প্রতিপক্ষ একদল সন্ত্রাসী। সোমবার (২৯ মার্চ) রাত ১০টায় মোংলা উপজেলা বাসস্ট্যান্ডে এ ঘটনা ঘটে। তাকে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে কৌশলে খুলনা যাওয়ার কথা বলে শিখা ও শিলা হিজড়াসহ তাদের সন্ত্রাসী বাহিনী আর্তকিত হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত জখম করে মৃত্যু ভেবে তাকে ফেলে রেখে চলে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এ ব্যাপারে মোংলা থানায় অভিযোগ দিয়ে কোন প্রতিকার না পেয়ে বৃহস্পতিবার বাগেরহাট আদালতে মামলা করেন তার মা মজিদা বেগম।
অভিযোগ সুত্রে ও আহত প্রেমার মা মজিদা বেগম জানান, গত ২৯ মার্চ সকাল ৯টার দিকে আমার মেজো সন্তান কাওছার ওরফে প্রেমা হিজড়াকে খুলনায় অনুষ্ঠানে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে শিখা ও শিলা হিজড়া পূর্ব পরিকল্পিতভাবে তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। রাত আনুমানিক ১০টার দিকে আমরা জানতে পারি প্রতিপক্ষরা পুর্ব শত্রুতার জেরে আমার সন্তান কাওছার ওরফে প্রেমাকে খুলনায় নিয়ে দিনভর বিভিন্ন জায়গায় কালক্ষেপন করে। পরে গাড়িযোগে মোংলায় আসার পর বাসস্ট্যান্ডের পাশে একটি ঝোপের পাশে নিয়ে শিখা ও শিলাসহ তাদের সহযোগী কয়েকজন সন্ত্রাসী মিলে গলায় ওড়না পেচিয়ে হত্যা করার চেষ্টা করে। এসময় তাকে লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে বেধড়ক মারধর করে। তাকে গলা টিপে হত্যা করায় তার গলায় মারাত্মকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়। এছাড়া তার ডান পা ভেঙ্গে যায় এবং শরীরে বিভিন্ন জায়গায় রক্তাক্ত জখম হয়। প্রেমার সাথে থাকা মোবাইল, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নিয়ে যায় এসব সন্ত্রাসীরা। এসময় তার ডাক চিৎকারে এলাকবাসী ছুঁটে আসলে শিলা ও শিখাসহ তাদের দলবল প্রেমাকে অচেতন অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন মোংলা বাসস্ট্যান্ড থেকে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখে তার পরিবারকে খবর দেয়। খবর পেয়ে রাত ১০টার দিকে মোংলা বাসস্ট্যান্ড থেকে কাজী রাজুসহ তার পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে এবং বিষয়টি রাতেই মোংলা থানায় অভিযোগ দেন এবং প্রেমাকে মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্ের ভর্তি করেন। বর্তমানে প্রেমা মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসারত থাকলেও গত ৩৬ ঘন্টায় তার অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। সন্ত্রাসী শিখা ও শিলা হিজড়া তাদের ক্ষমতা ও আধিপত্য বিস্তারের জন্য এরআগেও বেশ কয়েকবার প্রেমাকে হত্যার পরিকল্পনা করে তার উপর হামলা চালিয়েছে।
এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ দিলেও কোন ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ। যেকারণে আবদুল গফুর চৌধুরীর সন্তান শিখা হিজড়া ও আব্দুস ছত্তারের সন্তান শিলা হিজড়াসহ অজ্ঞাত আরো কয়েকজনকে আসামি করে বৃহস্পতিবার সকালে বাগেরহাট আদালতে মামলা দায়ের করেন প্রেমার মা মজিদা বেগম।
মোংলা থানার সেকেন্ড অফিসার মোঃ জাহাঙ্গির আলম বলেন, দুই তিন দিন পুর্বে একটি মারামারীর ঘটনা নিয়ে থানায় অভিযোগ হয়েছে। বিষয়টি এসআই বিশ্বজিৎ ভুখার্জিট তদন্ত করছেন। তবে আদালতের মামলার বিষয় কিছুই জানেন না বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।