মিয়ানমারে সামরিক ক্যু নিয়ে চীনের বিলম্বিত প্রতিক্রিয়া

25

এবিসি ডেস্ক:মিয়ানমারে পহেলা ফেব্রুয়ারি প্রত্যুষের সামরিক অভ্যুত্থান নিয়ে বিলম্বিত প্রতিক্রিয়া দিয়েছে চীন। চীনকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গণ্য করা হয় মিয়ানমারের প্রধান বন্ধু ও সাহায্যকারী হিসেবে। আরও খবর>>সুচিকে না ছাড়লে কঠোর ব্যবস্থা-যুক্তরাষ্ট্রের হুঁশিয়ারী

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যুতে কট্টরভাবে মিয়ানমারের সহায়কের ভুমিকা ছাড়াও চীন হলো মিয়ানমারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অংশীদার। চীন মিয়ানমানে সামরিক হস্তক্ষেপের ঘটনার কোনো নিন্দা বা নেত্রীবৃন্দকে আটকের বিষয়ে কোনো প্রতিবাদ করেনি। বলেছে, ‘মিয়ানমার নিজেরাই সমস্যার সমাধান করতে পারবে।’

এমন সাদামাটা প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বেইজিংয়ের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন সোমবার বিকেলের দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘মিয়ানমারে কী ঘটছে, তা চীন ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণে রেখেছে। পরবর্তী বা সম্ভাব্য পরিস্থিতির বিষয়েও বেইজিং খোঁজ-খবর রাখছে। মিয়ানমারের প্রতিবেশী এবং বন্ধুরাষ্ট্র হিসাবে চীন আশা করে সংবিধান এবং আইন মেনে দেশটির অভ্যন্তরীণ সব পক্ষ সঠিকভাবে তাদের বিভেদ কাটিয়ে উঠতে পারবে এবং রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হবে।’

প্রতিক্রিয়ায় প্রকারান্তরে চীন সামরিক হস্তক্ষেপে নিজের বা বিশ্ববাসীর উদ্বেগকে পাশ কাটিয়ে বিষয়টিকে মিয়ানমারের দিকে ঠেলে দিয়েছে।