মিতু হত্যাকান্ডের নেপথ্য নায়ক গ্রেফতার!

এবিসি বাংলা ডেস্কএবিসি বাংলা ডেস্ক
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  12:05 AM, 12 May 2021

বহুল আলোচিত চট্টগ্রামে প্রকাশ্য দিবালোকে এসপি পত্মী মিতু হত্যাকান্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটন ও প্রকৃত অপরাধীকে আইনের আওতায় আনা হলো।
আজ ১১ মে নিহতের স্বামী সাবেক এসপি বাবুল আক্তারকে গ্রেফতারের মধ্যদিয়ে ধারণা করা যাচ্ছে সেই সময় আমজনতার সন্দেহটা সঠিক ছিল।
২০১৬ সালে মিতুকে প্রকাশ্যে গুলি ও ছুরিকাঘাতে খুন করে একদল দুর্বৃত্ত।
মিতু এসপি বাবুলের স্ত্রী ছিলেন। তিনি ছেলেকে স্কুলে নেয়ার পথে খুন হন।
এই সময় নানা ঘটনা প্রবাহের মধ্যদিয়ে স্পষ্ট হয়েছিল স্বয়ং এসপি অর্থাৎ নিহতের স্বামী বাবুল তার সোর্স দিয়ে খুন করেছেন।
সে সময় বাবুলকে গ্রেফতারের দাবি উঠেছিল কিন্তু বাবুলের শ্বশুর সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা কোনভাবে বিশ্বাস করতে চাননি তারই জামাই বাবুল এই খুন করাতে পারে।
সে সময় বাবুল চাকরি থেকে অব্যাহতি নেন বলে উর্ধতন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিলেন।
যদিও গুঞ্জন ছিল উপরিমহল তখনি আঁচ করতে পেরেছিলেন বাবুল হত্যায় জড়িত, তাই তাকে অব্যাহতি নিতে বাধ্য করা হয়েছিল।
যাইহোক বছর না পেরুতেই বাবুল আক্তারের শ্বশুর জামাই’র প্রতি অন্ধ বিশ্বাস থেকে বেরিয়ে এসে সন্দেহ করতে থাকেন।
সেই সময় আমজনতার দাবি পূরণ হয়নি।
কৌশলগত কারণেই হয়তো এতদিন বাবুল আক্তারকে গ্রেফতার করা হয়নি।
সেই সময় বাবুল কোনভাবে জড়িত নয়, তিনি জঙ্গি দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রেখেছেন বলে তার স্ত্রী মিতুকে খুন হতে পারেন- লেখুনির মাধ্যমে এমন দাবি করেছিলেন প্রবীণ সাংবাদিক প্রবীর সিকদার দাদা।
যদিও সে সময় প্রায় সর্বমহল থেকে বাবুল আক্তার হত্যাকান্ডে জড়িত দাবি করে আটকের দাবি তুলেছিলেন।
তারপর কেটে গেছে ৫টি বছর। এরই মধ্যে মানুষ ভুলতেই বসেছিল চাঞ্চল্যকর মিতু হত্যাকান্ডের কথা।
অবশেষে পিবিআই দীর্ঘ তদন্ত ও গত কয়েকদিন ধরে বাবুল আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আজ ১১ মে তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে-এমন খবর গণমাধ্যমে প্রচার হয়েছে।
এই গ্রেফতারে আমার মতো অনেকেই হয়তো স্বস্তিবোধ করছেন।
এখন দেখার বিষয় আদালতে শেষ বিচারে কী হয়।
প্রসঙ্গত: মামলাটির বাদী ছিলেন বাবুল আক্তার নিজেই। যদিও শেষ রক্ষা হলো না।
বাদী হয়েও এখন তিনি আসামি। এখন সবার প্রত্যাশা দ্রুতবিচার সম্পন্ন হোক।

সম্পাদকীয়

আপনার মতামত লিখুন :