মাও. রফিকুল মাদানী আরেক মামলায় ৪দিনের রিমাণ্ডে

16

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরোধিতা করে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় রাজধানীর মতিঝিল থানায় করা মামলায় রফিকুল ইসলাম মাদানীর চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার (২১ এপ্রিল) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সুফিয়ান মোহাম্মদ নোমানের আদালতে রফিকুল ইসলামকে উপস্থিত হবে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আরও খবর>>রফিকুল ইসলাম মাদানী একদিনের রিমান্ডে

 

জানা যায়, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফর ঘিরে গত ২৫ মার্চ রাজধানীর মতিঝিল শাপলা চত্বরে ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদের মোদিবিরোধী মিছিল থেকে রফিকুল ইসলামকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। পরে আবার তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ওই দিন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমন ঘিরে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের নেতৃত্বে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদের একটি মিছিল রাজধানীর বিজয়নগর পানির ট্যাংকি এলাকায় শুরু হয়। এতে পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। মিছিলটি মতিঝিলে যাওয়ার পর পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এসময় রফিকুল ইসলামকে পুলিশ তাদের হেফাজতে নিয়েছিল।

প্রসঙ্গত, বিতর্কিত ও উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে গত ৭ এপ্রিল ভোর রাতে রফিকুল ইসলাম মাদানী (২৬) নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলার লেটিরকান্দা এলাকার নিজ বাড়ি থেকে আটক হন। ওই দিন রাতেই গাজীপুর মহানগরীর গাছা থানায় তাকে হস্তান্তর করা হয়। গ্রেফতার হওয়া রফিকুল ইসলাম মাদানীর বিরুদ্ধে গত ৮ এপ্রিল গাছা থানায় এবং ১১ এপ্রিল জিএমপির বাসন থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়। আটকের সময় রফিকুল ইসলাম মাদানীর থেকে চারটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। তিনি ফোনের মাধ্যমে রাষ্ট্রবিরোধী বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করতেন বরে দাবি করেছে র‌্যাব। এছাড়াও জব্দ হওয়া মোবাইলফোনে আপত্তিকর ও কুরুচিপূর্ণ ‘এডাল্ট কনটেন্ট’ অশ্লীল ভিডিও চিত্রসহ পর্নোগ্রাফি পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এসব এডাল্ট ছবি ও ভিডিও স্টোর করে রাখা ও লিংক ব্যবহার করায় রফিকুল ইসলাম মাদানীর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে রুজুকৃত মামলায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১২-এর ৮(৫)(ক) ধারা সংযোজন করা হয়েছে।