মণিরামপুরে লক্ষাধিক টাকার সরকারি গাছ কেটে হজম!

62

Last Updated on

জেমস আব্দুর রহিম রানা:যশোরের মণিরামপুরে জেলা পরিষদের অনুমতি ছাড়াই বেআইনি ভাবে সরকারি গাছ কাঁটার অভিযোগ উঠেছে।ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার মোহনপুর টু কালীবাড়ি রোডের কামালপুর ওয়ার্ডে।গত শুক্রবার(১০ই জুলাই)সকালে উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি ও পৌর মেয়র মাহমুদুল হাসানের বাড়ির পূর্বপাশে সাইফুল ইসলামের বাড়ি নির্মান করতে সমস্যা হওয়াতে দুটি গাছ থেকে বড় বড় ডাল কাঁটার সত্যতা পাওয়া গেছে।শনিবার (১১/৭/২০)ইং তারিখ সকালে যশোর জেলা পরিষদ থেক পঠানো একটি টিম বিষয়টির সত্যতা যাচাই করে গেছে।

সাইফুল ইসলাম উপজেলার গোবিকান্তপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার মনিরামপুর কাপড়পট্টিতে “টুকু গার্মেন্টস”নামে একটা কাপড়ের দোকান রয়েছে।

সাইফুল ইসলাম জানান,মোহনপুর টু কালীবাড়ি রোডে হাসান সাহেবের বাড়ির পূর্বপাশে আমার নিজের ক্রয়কৃত জমিতে বাড়ি নির্মান কাজ চলছে।এক পর্যায় এসে দেখা যায় রাস্তার দক্ষিন পাশে দুইটি সরকারি গাছের ডাল বেঁকে আমার জমিতে আসার কারণে বাড়ি তৈরি করতে খুব অসুবিধা হচ্ছে।তাই ডাল কাঁটার জন্য বিশ্ব নামে এক ব্যক্তির কাছে গেলে সে সরকারি খরচ বাবদ পনের হাজার(১৫০০০)টাকা দাবি করলে তাকে নগদ পনের হাজার(১৫০০০) টাকা দিয়েছি।

কামালপুর ওয়ার্ড কমিশনার বাবুল আক্তার বলেন,শুক্রবারে গাছ কাটার খবর পেয়ে আমি দ্রুত ঘটনাস্থানে পৌছায়ে দেখি কয়েকজন সরকারি বড় বড় গাছ থেকে মেইন ঢাল কেটেছে।যে ঢালগুলো একেকটা বড় গাছের সমান।তাদের কাছে এই সরকারি গাছ কাটার অনুমতি পেপারস চাইলে তারা বলে জেলা পরিষদের গৌতম দা আমাদের অনুমতি দিয়েছে।গৌতম চক্রবর্তী এলজি আরডি প্রতিমন্ত্রীর ভাগ্নে।

আরো অভিযোগ উঠেছে, এলজি আরডি প্রতিমন্ত্রীর ভাগ্নে যশোর জেলা পরিষদের সদস্য গৌতম চক্রবর্তী মণিরামপুরের পুর্ব এলাকার সরকারী রাস্তার গাছ, যেগুলোর মালিক জেলা পরিষদ,তবুও কোথাও কোথাও থেকে মাঝে মধ্য কিছু কিছু গাছ কেঁটে বেআইনী ভাবে লক্ষ লক্ষ টাকায় বিক্রি করছেন।