মণিরামপুরে গৃহবধু পারভীন মৃত্যুর ঘটনায় মামলা

25

মণিরামপুর প্রতিনিধি:মণিরামপুরে গৃহবধূ পারভীন সুলতানা (২৬) মৃত্যুর ঘটনায় থানায় আতœহত্যায় প্ররোচনার মামলা হয়েছে। রোববার রাতে নিহতের পিতা শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে ৪ জনের নামে এই মামলা দায়ের করেন।
আসামিরা হলেন গালদা গ্রামের হানেফ সরদারের ছেলে আহাদ আলী সরদার, মৃত নুর আলী সরদারের ছেলে আলিম, আলিম সরদারের ছেলে সুজন ও আলিমের স্ত্রী সুকজান বেগম। এ ঘটনায় মামলার প্রধান আসামি আহাদ আলী সরদারকে পুলিশ আটক করে। সোমবার সকালে তাকে আদালতে চালান দিয়েছে।
স্থানীয় ও পুলিশ জানান, ১৩ বছর আগে উপজেলার গালদা গ্রামের শহিদুল ইসলামের মেয়ে পারভীনের সাথে একই গ্রামের আজিজুর রহমানের বিয়ে হয়। বিয়ের পর সংসারের স্বচ্ছলতা আনতে আজিজুর রহমান মালয়েশিয়া পাড়ি জমান। তাদের সংসারে ৯ বছর বয়সী ছেলে ও ৬ বছর বয়সী মেয়ে রয়েছে। তিনি প্রতিমাসে বিদেশ থেকে স্ত্রীর জন্য টাকা পাঠাতেন। কিন্তু সেই টাকা পারভীনকে না দিয়ে ভাসুর আলিম ও তার স্ত্রী সুকজান বেগম আতœসাৎ করতেন। এই বিরোধের জের ধরে শনিবার রাতে ভাসুর আলিম, তার স্ত্রী সুকজান ও ছেলে সুজন যোগসাজস করে আহাদ আলী প্রতিবেশি এক যুবককে জড়িয়ে পারভীনের নামে খারাপ অপ্রচার চালিয়ে আসছিলো। এরই ধারাবাহিকতায় ঘটনার দিন পারভীনাকে তারা বেধড়ক মারপিট করে। ওই রাতেই গৃহবধূ পারভীন কীটনাশক পান করে আতœহত্যা করেছে বলে প্রচার চালায়। এরপর পারভীনকে উদ্ধার করে যশোর মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরী ভিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই দীপক কুমার দত্ত জানান, এ ঘটনায় থানায় আতœহত্যা প্ররোচণার দায়ে মামলা হয়েছে। যার মামলা নং-১২। ওই দিনই আহাদ আলী নামে একজনকে আটক করে পরদিন সোমবার আদালতে চালান দেয়া হয়েছে। মামলার বাকী আসামিদের আটকের জোর চেষ্টা চলছে বলে তিনি জানান।