বিনম্র শ্রদ্ধায় ভাষা শহীদদের স্মরণ করলো যশোরবাসী

11

এবিসি নিউজ:বিনম্র শ্রদ্ধায় মহান ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণ করলো যশোরসহ দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ। রোববার একুশের প্রথম প্রহরে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। প্রশাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনও শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেন।

যশোর:জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আলোচনা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
একুশের প্রথম প্রহরের আগেই যশোর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আম জনতার ঢল নামে। রাতে ফুল ও পুস্পস্তবক হাতে শহরের রাস্তায় বের হন হাজারো মানুষ। অমর একুশের শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে তারা হাজির হন শহীদ মিনারে। করোনার ভয় উপেক্ষা করে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষার জন্য প্রাণ উৎসর্গকারী শ্রেষ্ঠ বাঙালি সন্তানদের শ্রদ্ধা জানান। রাতের পর ভোর হতেই শ্রদ্ধা জানাতে আসা মানুষের ভিড়ে ফের মুখর হয়ে ওঠে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার এলাকা। দিনভর ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন চলে। ভালোবাসা ও গভীর শ্রদ্ধায় অর্পণ করা ফুলে ভরে ওঠে শহীদ মিনার।
২১শের প্রথম প্রহর রাত ১২টা ১ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান যশোরের জেলা প্রশাসন। এসময় জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে প্রশাসনের কর্মকর্তারা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এরপর শহীদ বেদিদে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান যশোরের পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ারদার।
এদিকে, একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন যশোর-৩ আসনের এমপি কাজী নাবিল আহমেদ। এছাড়া শহিদ মিনারে এসে শ্রদ্ধা নিবদেন করেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুজ্জামান পিকুলের নেতৃত্বে যশোর জেলা পরিষদ, জেলা সংসদের সাবেক কমান্ডার মুযাহারুল ইসলাম মন্টুর নেতৃত্বে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন, মুক্তিযোদ্ধা রবিউল আলমের নেতৃত্বে যশোর জেলা জাসদ, সভাপতি মোহিত কুমার নাথের নেতৃত্বে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সভাপতি অ্যাডভেকোটে আসাদুজ্জামান আসাদ ও সাধারণ সম্পাদক এস এম মাহমুদ হাসান বিপুর নেতৃত্বে যশোর পৌর আওয়ামী লীগ, চেয়ারম্যান প্রফেসর মোল্লা আমীর হোসেনের নেতৃত্বে যশোর শিক্ষা বোর্ড, সচিব আজমল হোসেনের নেতৃত্বে যশোর পৌরসভা, সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন ও সম্পাদক আহসান কবিরের নেতৃত্বে প্রেসক্লাব যশোর, সভাপতি একরাম উদ দ্দৌলা ও সম্পাদক মবিনুল ইসলাম মবিনের নেতৃত্বে যশোর সংবাদপত্র পরিষদ, সভাপতি আহমেদ সাঈদ বুলবুল ও সম্পাদক এইচ আর তুহিনের নেতৃত্বে যশোর সাংবাদিক ইউনিয়ন (জেইউজে), সাংবাদিক ইউনিয়ন যশোর, জেলা সাংবাদিক ইউনিয়ন, ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নুর জাহান ইসলাম নীরা, জেলা যুবলীগ, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগ, জেলা যুব মহিলা লীগ, জেলা শ্রমিকলীগ, জেলা যুব শ্রমিক লীগ, যশোর জেলা ছাত্রলীগ, যশোর পৌর ছাত্রলীগ, সদর উপজেলা ছাত্রলীগ, এমএম কলেজ ছাত্রলীগ, জেলা তরুণ লীগ, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ, শহর আওয়ামী লীগ, জাগো তারুণ্য, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, বাংলাদেশ কেমিস্টস এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতি, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর যশোর অফিস, জেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদ, যশোর গণপূর্ত বিভাগ, যশোর কারাগার, শহর স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ফ্রেন্ডস ক্লাব, জেলা কৃষক লীগ, সিভিল সার্জন যশোর, শিল্পকলা একাডেমি, যশোর ইনস্টিটিউট, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগ, জেলা যুবলীগ, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, যশোর জেনারেল হাসপাতাল, যশোর মেডিকেল কলেজ, যশোর বিএমএ, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ, যশোর জিলা স্কুল, যশোর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, পুলিশ লাইন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, যশোর কালেক্টরেট স্কুল, যশোর সরকারি কলেজ, জেলা শিশু একাডেমি, মুক্তিযোদ্ধা পাঠাগার, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদ, যশোর কলেজ, বাদশাহ ফয়সাল ইসলামী ইনস্টিটিউট, সেবা সংঘ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়, বাসদ (মার্কসবাদী), যশোর কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, বর্ণমালা বিদ্যাপীঠ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ^বিদ্যালয়, মিনিউসিপ্যাল প্রিপারেটরি উচ্চ বিদ্যালয়, উপশহর কলেজ, যশোর ইনস্টিটিউট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালায়, জাতীয় গণতান্ত্রিক পাটি-জাগপা, যশোর বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সনাক যশোর, জেলা মহিলা পরিষদ, জয়তী সোসাইটি, অনির্বাণ সংসদ, বাঁচতে শেখা, যশোর আমিনিয়া কামিল মার্দাসা, শহীদ মশিউর রহমান ল কলেজ, যশোর হেমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ, রিক্সা ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন, জেলা তাঁতী লীগ, বনিফেস সমাজ কল্যাণ সংস্থা, জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রমুখ সংগঠন পুস্পস্তবক অপর্ণের মাধ্যমে ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানায়।
জেলা প্রশাসন
যশোর জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য বলেন, ভাষা আন্দোলন সফল না হলে আজকে এই স্বাধীনতা অর্জিত হতো না। ৫২ থেকে তার পরবর্তী সকল ধারাবাহিক আন্দোলনের ফসল হলো ৭১’র স্বাধীনতা। তিনি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৃঢ়চেতা নেতৃত্বের কারণে স্বাধীনতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ। আর তাই আজকের দিনে একটি স্বতন্ত্র দেশ ও জাতি হিসেবে নিজের মাতৃভাষা নিবে গর্ববোধ করতে পারি।
অমর একুশে উদযাপন উপলক্ষে গত রোববার এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন অফিস-আদালতের ভাষা হবে বাংলা। একমুখি হবে শিক্ষা ব্যবস্থা। এই লক্ষ্যে কাজও করেছিলেন। কিন্তু তিনি হত্যাকান্ডের শিকার হলে সবকিছু থমকে যায়।
আলোচনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ ও পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ারদার। এছাড়া অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন, মুক্তিযুদ্ধকালীন বৃহত্তর যশোরের মুজিব বাহিনীর প্রধান আলী হোসেন মনি, যশোর সংবাদপত্র পরিষদ’রর সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা একরাম উদ দ্দৌলা, যশোরের সিভিল সার্জন শেখ আবু শাহীন ও প্রফেসর ড. মোস্তাফিজুর রহমান।
আলোচনা পর্ব শেষে একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে জেলা শিশু একাডেমি আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এসময় চিত্রাঙ্কন, উপস্থিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতা, আবৃত্তি ও সুন্দর হাতের লেখা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। এরপর ছিল সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। এতে যশোরের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের শিল্পীরা অংশ নেন।

যবিপ্রবী
বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে একুশের প্রথম প্রহরে পুস্পস্তবক অর্পণ, মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জলন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, প্রভাত ফেরিসহ নানা কর্মসূচিতে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হয়েছে।
যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালনের জন্য শহীদ মিনারের পাদদেশে মনোজ্ঞ আল্পনা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীরে ভাষা আন্দোলন স্মরণে দেয়ালচিত্র আঁকা হয়। অমর একুশের মূল কর্মসূচি শুরু শনিবার রাত নয়টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জলনের মাধ্যমে। এরপর একুশ নিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তারা বিভিন্ন কবিতা, গান, নাটক ও প্ল্যানচেট বিতর্ক পরিবেশন করেন। পরে ‘বঙ্গবন্ধু ও ভাষা আন্দোলন’ বিষয়ে আয়োজন করা হয় সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা। সভায় যবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আব্দুল মজিদ বলেন, বাংলাদেশের প্রায় সব আন্দোলনের অনুপ্রেরণা ছিল ৫২-এর ভাষা আন্দোলন। তাই এ দিনটি বাঙালি ও বাংলা ভাষাভাষি মানুষের কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। এই আন্দোলনের সময় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কারাগারে ছিলেন। তবে সেখান থেকেই তিনি এ আন্দোলনের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মো. আলম হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন যবিপ্রবির ডিনস কমিটির আহ্বায়ক ড. মো. নাসিম রেজা, রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. আহসান হাবীব, শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. মোহাম্মদ তোফায়েল আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক মো. আমজাদ হোসেন, ড.ইঞ্জ., কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি ড. মো. আব্দুর রউফ, যবিপ্রবির ছাত্রলীগ নেতা আফিকুর রহমান অয়ন, সোহেল রানা প্রমুখ। ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন দপ্তরটির সহকারী পরিচালক এস এম সামিউল আলম।
আলোচনা সভা ও অন্যান্য অনুষ্ঠান শেষে একুশের প্রথম প্রহরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে নিয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো: আনোয়ার হোসেন। একে একে যবিপ্রবির ডিনস কমিটি, শিক্ষক সমিতি, যবিপ্রবি ছাত্রলীগ, কর্মকর্তা সমিতি, কর্মচারী সমিতিসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগসমূহ, দপ্তরসমূহ, আবাসিক হলসমূহ, যবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতিসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে।
যশোর সরকারি এম এম কলেজ শহীদ মিনার
একুশের প্রথম প্রহরে শ্রদ্ধা জানায়, সরকারি এম এম কলেজ, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, ব্যবস্থাপনা বিভাগ, হিসাব বিজ্ঞান বিভাগ, যশোর জেলা বিএনপি, নগর বিএনপি, সদর উপজেলা বিএনপি, জেলা যুবদল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল, জেলা তাঁতীদল, জেলা ছাত্রদল, সদর উপজেলা ছাত্রদল।
সরকারি সিটি কলেজ
মহার ভাষা দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোল্লা আমীর হোসেন। সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আশরাফ উদ দৌলা। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদ্যাপন কমিটির আহবায়ক সহযোগী অধ্যাপক অলোক বসু ও শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক সহযোগী অধ্যাপক জাকির হোসেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন গনিত বিভাগের প্রভাষক শারমিন সুলতানা।
সরকারি মহিলা কলেজ
অমর একুশে উপলক্ষে এদিন আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন অধ্যক্ষ প্রফেসর আহসান হাবীব। প্রধান অতিথি ছিলেন যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মিয়া মো. আব্দুর রশীদ ও মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদ্যাপন কমিটির আহবায়ক প্রফেসর মর্জিনা আক্তার।
শিক্ষা বোর্ড সরকারি মডেল স্কুল এন্ড কলেজ
আলোচনা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোস্তফা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন উপাধ্যক্ষ কল্যাণ সরকার। বক্তব্য রাখেন মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদ্যাপন কমিটির আহবায়ক প্রভাষক উম্মে সালমা শীলা। শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী অহনা খালেক ও ব্রতী বর্মণ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী সুমাইয়া জাহান।