বানভাসী মানুষের পাশে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘মানবিক প্রচেষ্টায় নাটোর ‘

12

Last Updated on

নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার পিপরুল ইউনিয়নের বিভিন্ন বন্যাদূর্গত আশ্রয়কেন্দ্রে ঘুরে ঘুরে প্রায় ২২০টি বানভাসী  পরিবারের মাঝে শুকনা খাবার (আটা, মুড়ি)সহ ঈদ উপহার সামগ্রী (সেমাই, চিনি) বিতরণ করা হয়। বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘মানবিক প্রচেষ্টায় নাটোর’ অসহায় মানুষের মাঝে এসব খাদ্য ও ঈদ উপহার বিতরণ করে। এর পাশাপাশি সরকারী নির্দেশনা মোতাবেক মাস্ক ছাড়া মানুষ দেখলেই তাদেরকে সারজিক্যাল মাস্ক পরিয়ে দেন সংগঠনটির কর্মীরা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রস্তাবিত সামাজিক সংগঠনঠন “মানবিক প্রচেষ্টায় নাটোর” এর প্রধান উদ্যোক্তা, সমাজ সেবক, বিডিইএমআর নামক মেডিকেল সফটওয়্যার কোম্পানির কান্ট্রি ডাইরেক্টর, এস আর এ আইটি লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক, নাটোর সদর ও নলডাংগা উপজেলা এলাকার জন্য সরকারের নিয়োগকৃত হিন্দু বিবাহ রেজিস্ট্রার, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আইন উপদেষ্টা ও ১৯৯০ দশকের ছাত্রলীগের নেতা সুবির বর্ধন মুন।

এছাড়াও অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন ৪ নং পিপরুল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি কলিমউদ্দিন প্রাং, উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কাজল কুমার, ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান শাহজালাল, নবাব সিরাজ উদ্ -দৌলা সরকারি কলেজ রোভার স্কাউট গ্রুপের সিনিয়র রোভার মেট রবিউল ইসলাম, নলডাংগা উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রায়হান তানভীর, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি ফজলুর রহমান মিশনসহ নাটোর ব্লাড ডোনার গ্রুপের অন্যতম সদস্য অমৃত সরকার ও মিঠুন আলিসহ এলাকাভিত্তিক গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

মানবিক প্রচেষ্টায় নাটোর এর প্রতিষ্ঠাতা সুবির বর্ধন মুন জানান, আজকে এই আয়োজন তাদের চলমান কর্মসূচীর অংশ। করোনাকালীন সময় ছাড়াও অসহায় খাদ্যহীন মানুষের পাশে দাঁড়াতে তাদের সংগঠনটি কাজ করে বিভিন্নভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে এই সংগঠনের সদস্যরা। তারই ধারাবাহিকতায় বন্যাদূর্গতদের পাশে দাঁড়াতে ছুটে এসেছেন তারা। কোন পদ বা চেয়ার পাবার আশায় তারা কাজ করেন না, বরং সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে তাদের এইভাবে মানবসেবায় অংশগ্রহণ!

এই সংগঠনটির অধিকাংশ সদস্য ছাত্র, তাই অধিকাংশ অর্থ জোগান দেন প্রতিষ্ঠাতা সুবীর বর্ধন মুন। তিনি নিজে হাতে মানুষ দেখানো দানে বিশ্বাস না করে বরং যেই এলাকায় তারা খাবার দেন সেই এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি, উদীয়মান তরুণ ছাত্র-যুবনেতাদের দিয়ে খাদ্যদ্রব্য সেই এলাকার চিহ্নিত প্রকৃত অভাবী মানুষের হাতে তুলে দেন, এই ভাবে সমাজের অন্যদের এই ধরনের কাজে উতসাহিত করেন তারা! আগামীতে খাদ্যহীন মানুষের খোঁজ পেলেই সেই মানুষকে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া সহ উপার্জনে উৎসাহিত করার কাজটা চলমান থাকবে। দেশের সকল সামর্থবান মানুষকে তাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সুবীর বর্ধন মুন।