বাগেরহাটে বৃহস্পতিবার থেকে ৭দিনের লকডাউন

12

বাগেরহাট প্রতিনিধি:বাগেরহাটে বৃহস্পতিবার ভোর ৬টা থেকে ৭ দিনের লকডাইন ঘোষণা দেয়া হয়েছে। লকডাইন চলাকালে সব ধরনের যাত্রীবাহি গণপরিবহন ও নৌযানসহ দোকানপাট এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠার বন্ধ থাকবে। তবে জরুরী সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো খোলা থাকবে। দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের বিষয়টিকে প্রাধান্য দিয়ে মোংলা বন্দর এই লকডাইনের আওতামুক্ত রাখা হয়েছে। তবে মোংলা বন্দর জেটি ও পশুর চ্যানেলে নোঙ্গর করা জাহাজের নাবিকরা মোংলা বন্দরে নামতে পারবে না। করোনা সংক্রমণের হার ৪০ থেকে ৭৩ শতাংশের মধ্যে ওঠানামা করায় বুধবার বিকালে জেলা করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ সংক্রান্ত জেলা মনিটরিং কমিটির সভা শেষে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান এই সংক্রান্ত গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেন।

বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক জানান, সাধারণ মানুষ স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করায় জেলায় করোনা সংক্রমণের হার আশংকাজনক হারে বেড়ে গেছে। যেকারণে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ সংক্রান্ত জেলা মনিটরিং কমিটির সভায় সর্ব সম্মত সিদ্ধান্তে ২৪ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত জেলায় ৭ দিনের লকডাইন ঘোষণা করা হয়েছে। লকডাউন চলাকালে ব্যক্তিগত যানবাহন থেকে শুরু করে সব ধরনের যাত্রীবাহি গণপরিবহন ও নৌযানসহ দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠার বন্ধ থাকবে। কাঁচাবাজার, মুদিদোকান, হেটেল-রেস্তোরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। হোটেল-রেস্তোরায় বসে খাওয়া যাবে না। মসজিদে ৩ ফুট দূরত্ব মেনে ২০ জন পর্যন্ত মুসল্লী নামাজ আদায় করতে পারবেন। কোন সামাজিক, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক অনুষ্ঠান লকডাউন চলাকালে করা যাবে না। তবে জরুরী সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো খোলা থাকবে। দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে বিষয়টিকে প্রাধান্য দিয়ে মোংলা বন্দরকে এই লকডাইনের আওতামুক্ত রাখা হয়েছে। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষকে করোনা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। মোংলা বন্দর জেটি ও পশুর চ্যানেলে নোঙ্গর করা জাহাজের নাবিকরা মোংলা বন্দরে নামতে পারবে না। জেলা প্রশাসক বাগেরহাট জেলায় করোনা সংক্রামণের হাত থেকে নিজে, পরিবারের সদস্যসহ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে লকডাইন চলাকালে সবাইকে ঘরে থাকার আহবান জানিয়ে আরো বলেন, লকডাইন না মানলে ভ্রম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দন্ডিত করা হবে।