বরাদ্দের সার বন্দরে বিক্রি করে বিসিআইসি ডিলাররা

ইচক দুয়েন্দেইচক দুয়েন্দে
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  06:44 PM, 02 September 2021

খালাস ও উত্তোলনের সময় বরাদ্দের সার সেখানেই অন্যদের কাছে সার বিক্রি করে দেয় বিসিআইসি’র ডিলাররা। ফলে বাজারে সারের সংকট সৃষ্টির হয়। এতে দামও বৃদ্ধি পায়। বেশি দামে সার কিনে ক্ষতিগ্রস্থ হন চাষি। কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কছে এমন অভিযোগ করা হয়েছে। বিএডিসির ডিলারদের করা এমন অভিযোগ করেছেন।
বাংলাদেশে কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের তালিকাভূক্ত ডিলাররা নামমাত্র বরাদ্দ পাচ্ছেন। যার জন্য বাজারে সারের সংকট কাটছে না। আর এটি বেশি দামে সার বিক্রির সুযোগ সৃষ্টি করছে। কারণ জেলার চাহিদার বেশির ভাগ বরাদ্দ পায় বাংলাদেশ কেমিকেল ইন্ডস্ট্রিজ কর্পোরেশনের (বিসিআইসি) ডিলাররা। কিন্ত বরাদ্দের সিংহভাগই খালাসের সময় বন্দরে বিক্রি করে দেয়া হয়। এমনকি যেখান থেকে তারা বরাদ্দের সার উক্তোলন করে সেখানকার ব্যবসায়ীদের কাছেও সব সার বিক্রি করে দেয়। এটিবাজারে সারের সংকট সৃষ্টি করে। দামও বহুগুন বৃদ্ধি পায়।
বিএডিসি’র ডিলারদের নামমাত্র পরিমাণ বরাদ্দ দিলে সারের সংকট কাটবে না। অধিক মূল্যে সার বিক্রিও বন্ধ হবে না। ফলে বরাবরের মতন চাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এমন দাবি করেছেন বিএডিসি ডিলাররা। তাদের দাবি, বিসিআইসি’র ডিলারদের মতন তারাও সমপরিমাণ বরাদ্দ পেলে সংকট ও অধিকমূল্যে সার বিক্রি বন্ধ হয়ে যাবে।
যশোরে ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময় করে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর। চাল, ডাল, তেল, চিনিসহ বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যের ব্যবসায়ীরা ছাড়াও ডিলার, অটোরাইস মিলার, হিমাগার মালিকরাও মতবিনিময়ে অংশ নেয়। সেখানে  সার নিয়ে নিয়ে এসব অনিয়মের বিষয়ে আলোচনা হয়।

জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় সার্কিট হাউসে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ ইউসুফ। বিশেষ অতিথি ছিলেন অধিদপ্তরের পরিচালক কাজী আবুল কালাম, কৃষি বিপণন জোড়দার প্রকল্পের পরিচালক শাহানাজ বেগম ও উপপরিচালক রাজু আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক হুসাইন শওকত।

 

আপনার মতামত লিখুন :