ফকিরহাট ও শরণখোলায় সংক্রমণের হার ১০০ শতাংশ

43

>>বাগেরহাটে নতুন আক্রান্ত ৬০ জন, ৩ জনের মৃত্যু
বাগেরহাট প্রতিনিধি:বাগেরহাটে নতুন করে আরো আক্রান্ত হয়েছেন ৬০ জন। এ সময়ে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এনিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে ৭৩ জন মারা গেলেন। মোংলা, রামপাল ও মোরেলগঞ্জ উপজেলায় একজন করে করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। আরও খবর>>মণিরামপুরে করোনায় মৃত্যু মিছিল দীর্ঘ হচ্ছে

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানায়, বুধবার বাগেরহাটে ১৩৬ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৬০ জন করোনা শনাক্ত হয়েছে। জেলায় নমুনা পরীক্ষায় সংক্রমণ হার একদিনের ব্যবধানে প্রায় ৫ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৪৪.১১ শতাশে। বাগেরহাট সদরে উপজেলায় ২৫টি নমুনা পরীক্ষায় ২১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। সদর উপজেলায় সংক্রমণ হার ৬৩.৩৩ শতাংশ থেকে বেড়ে ৮৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। কচুয়ায় ৫টি নমুনা পরীক্ষায় ৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। কচুয়ায় সংক্রমণ হার ৬০ শতাংশ। রামপালে ১৩টি নমুনা পরীক্ষায় ৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। রামপালে সংক্রমণ হার ৫৩. ৮৪ শতাংশ। মোরেলগঞ্জে ২১টি নমুনা পরীক্ষায় ৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। মোরেলগঞ্জে সংক্রমণ হার ৪২.৮৫ শতাংশ। ফকিরহাটে ১ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১ জন আক্রান্ত হয়েছে। ফকিরহাটে সংক্রমণের হার ১০০ শতাংশ। শরণখোলা উপজেলায় ১ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১ জন আক্রান্ত হয়েছে। শরণখোলায় সংক্রমণের হার ১০০ শতাংশ।
করোনার হটস্পট মোংলায় সংক্রমণের হার কিছুটা কমেছে। আক্রান্তের সংখ্যা আবারও বেড়েছে। মোংলায় ৫৩ জনের নমুনা পরিক্ষায় ১৬ জন আক্রান্ত হয়েছে। মোংলায় সংক্রমণ হার ৩৫.৭১ শতাংশ থেকে ২৪ ঘন্টায় কমে দাঁড়িয়েছে ৩০.১৮ শতাংশে। চিতলমারীতে ১৭টি নমুনা পরীক্ষায় ২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। চিতলমারীতে সংক্রমণ হার ১১.৭৬ শতাংশ। বাগেরহাটে এখন মোংলার পাশাপাশি বাগেরহাট সদর, ফকিরহাট, রামপাল, শরণখোলা ও মোরেলগঞ্জ উপজেলার গ্রামে-গ্রামে ছড়িয়ে পড়েছে।
বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডা. কেএম হুমায়ুন কবির জানান, বাগেরহাটে দ্বিতীয় ঢেউয়ে গত মার্চ মাস থেকে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়তে শুরু করে। তবে, জেলায় গত দুই সপ্তাহ ধরে সংক্রমণের হার বেশি। মোংলা, রামপাল, ফকিরহাট শরণখোলা, মোরেলগঞ্জ ও বাগেরহাট পৌরসভা এলাকা এখন করোনা হটস্পট হয়ে উঠেছে। জেলায় সংক্রমণের হার সর্বোচ্চ ৭৩ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছিল। জেলায় ৪০ থেকে ৫০ শতাংশের মধ্যে ওঠানামা করছে। করোনা সংক্রমণ রোধে সবাইকে সচেতন হতে হবে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। এ পর্যন্ত জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ায়েছে ২ হাজার ৭৫১ জন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৭৩ জন। জেলা সদরে করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতাল ও ৮টি উপজেলা হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৯৫ জন। হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে ৬৪১ জন।