পৃথিবী আবার সুস্থ হয়ে উঠুক-একান্ত সাক্ষাতকারে নৃত্যশিল্পী নাইম

31

নড়াইল প্রতিনিধি:বর্তমান ও অন্যান্য প্রসঙ্গে নড়াইলের কৃতি সন্তান বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে নৃত্যশিল্পী (গ্রেড-৩) হিসেবে কর্মরত নাইমুজ ইনাম নাই দিলেন একান্ত সাক্ষাতকার।
প্রতিবেদক: কেমন আছেন নাইম, সময় কিভাবে কাটছে ?
নাইম: মহান আল্লাহপাকের অশেষ রহমতে ও তার শুকরিয়া সুস্থ আছি এবং ভালো আছি। লকডাউনের কারণে বাসায় আছি, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছি। ছোটখাটো অনলাইন ভিত্তিক কাজ করছি। এভাবেই চলে যাচ্ছে সময়।
প্রতিবেদক: নৃত্যশিল্পী হওয়ার পেছনের গল্পটা যদি বলতেন।
নাইম: আমার জন্ম নড়াইল শহরের আলাদাতপুরে। পরিবারের একমাত্র সন্তান আমি। আমি ছোট বেলা থেকে সাংস্কৃতিকমনা ছিলাম। নাচ-গান আমার খুব পছন্দ ছিলো। আমার ছোট বেলায় আমার আম্মু স্থানীয় একটি গানের স্কুলে ভর্তি করে দেন। কিন্তু সেখানে গানের মনোযোগ বসেনি। নাচের ক্লাসে লুকিয়ে লুকিয়ে মনোযোগ দিতাম। আর সেই থেকে নাচের প্রতি আমার আকৃষ্টতা। বাংলাদেশ থেকে চার বছরের ডিপ্লোমা এবং এক বছরের সর্ট কোর্স করেছি ভারতে। আমার নাচের হাতে খড়ি দিয়েছেন গোপাল চন্দ্র কুন্ডু স্যার।
প্রতিবেদক: কখনো পরিবার থেকে কোনো বাঁধা পেয়েছেন কিনা ?
নাইম: সত্যি বলতে আসলে এমন কখনো হয়নি। আমার আম্মু ইসমত আরা আওয়ামীলীগ রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তিনি বর্তমানে নড়াইল জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সবাই মনে করতেন আমি হয়তো রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়বো। কিন্তু আমার পরিবার সব সময় আমার ইচ্ছাকে প্রাধান্য দিয়েছেন। আমি যেভাবে আমার লাইফটাকে গোছাতে চেয়েছি তারা সেভাবে সহযোগিতা করেছেন এবং আমার সাংস্কৃতিক অঙ্গনে প্রবেশে সবচেয়ে বড় অবদান আমার মায়ের। তিনি হাজারো ব্যস্ততার মাঝে আমাকে সময় দিয়েছেন এবং একজন জাতীয় মানের শিল্পী হিসেবে আমাকে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে সব সময় আমাকে সহযোগিতা করেছেন। আমার সাহসই আমার অনুপ্রেরণা।
প্রতিবেদক: নাচের প্রাপ্তি নিয়ে যদি কিছু বলতেন।
নাইম: কথায় আছে কর্মের ফল আশা করা উচিত নয়, তোমার কর্ম হবে তোমার পরিচয়। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে নৃত্যশিল্পী হিসেবে চাকরি করছি, এটাই আমার জন্য সবচেয়ে বড়প্রাপ্তি। এছাড়া জাতীয় শিশু কিশোর প্রতিযোগিতায় জাতীয় পুরষ্কার পেয়েছি। ২০১৭ সালে বাংলাদেশ থেকে মনোনীত হয়ে ৯০টি দেশের মধ্যে বেস্ট পারফরমার নৃত্যশিল্পী হিসেবে ইন্টারন্যাশনাল কান্ট্রি কনসেপ্ট নোট অ্যাওয়ার্ড-২০১৭ পেয়েছি এবং সেই পুরষ্কারটি তুলে দিয়েছিলেন দিল্লীর মূখ্যমন্ত্রী। স্বাধীনতা দিবসে গুণীজন সংবর্ধনায় নৃত্যশিল্পী হিসেবে সম্মাননা পেয়েছি। প্রাণের সৌজন্যে তোমার হাতে আলোর মশাল শিরোনামে তরুণ প্রতিভাবান নৃত্যশিল্পী হিসেবে সম্মাননা পেয়েছি। এছাড়া জেলা প্রশাসক সম্মাননা, নড়াইল নৃত্যকলা পদক, বঙ্গবন্ধু তরুণ লেখক পরিষদ সম্মাননা, কবি-সাহিত্যিক পরিষদ সম্মাননা, নিরাপদ সড়ক চাই সম্মাননাসহ আরো অসংখ্য পুরষ্কার ও সম্মাননা পেয়েছি।
প্রতিবেদক: স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং মুজিব শতবর্ষ অনুষ্ঠানে আপনার সম্পৃক্ততা নিয়ে যদি কিছু বলতেন?
নাইম: স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে টানা ১০দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা, জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে ২১ ও ২২ মার্চ বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। প্রায় এক হাজার শিল্পীর অংশগ্রহণ করা সেই অনুষ্ঠানের দল সমন্বয়কারীর দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি শিল্পী হিসেবে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করি। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী স্যারের নির্দেশনায় অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানমালা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহেনা খুবই প্রশংসা করেছেন। কিন্তু দু:খের বিষয় এই অনুষ্ঠানের পরবর্তীতে আমি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘ একমাস পরে আরোগ্য লাভ করি।
প্রতিবেদক: নাচ নিয়ে ভবিষ্যত পরিকল্পনা কি?
নাইম: দেখুন নাচলো আমার কাছে মুদ্রার এপিঠ আর ওপিঠ। নাচ নিয়ে আমার অনেক পরিকল্পনা রয়েছেভ। বর্তমানে আমি বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে নৃত্যশিল্পী (গ্রেড-৩) হিসেবে কর্মযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছি। উপমহাদেশের প্রখ্যাত কিংবদন্তী উদয় শংকর গুরুজীর মতো যখন মানুষ আমাকে এক নামে চিনবে বা জানবে-এই আশা নিয়ে কাজ করে চলেছি। যখন নাচটা আর করতে পারবোনা তখন মঞ্চের পেছনে কাজ করবো। নতুন নতুন প্রযোজনা তৈরি করবো। নৃত্য পরিচালনা করবো এটাই আমার প্রত্যাশা।
প্রতিবেদক: করোনার প্রভাব কাটিয়ে নৃত্যঅঙ্গন-এই সংকট থেকে উত্তোরণের জন্য আপনারা নৃত্যশিল্পীরা কোন পথ অবলম্বন করছেন ?
নাইম: করোনা ভাইরাসের এই ভয়াল থাবায় পৃথিবী অন্ধকারাচ্ছন্ন। সম্পূর্ণ পৃথিবীর অর্থনীতি বিপর্যস্ত আজ। বাংলাদেশের সংস্কৃতি কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে, ঝিমিয়ে পড়েছে। করোনাভাইরাসের কারণে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে অশনি ভাটা। আর এই পরিস্থিতির মধ্যে বাংলাদেশের সংস্কৃতির চাকা সচল রাখার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন প্রণোদনা ঘোষণা করেছেন শিল্পীদের জন্য । তার মধ্যে বাংলাদেশের সকল জেলার শিল্পীদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন। যা বাস্তবায়ন করেছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। পাশাপাশি অসহায় অস¦চ্ছল শিল্পীদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে সরকার। বাংলাদেশ নৃত্যশিল্পী সংস্থা কেন্দ্রীয়ভাবে অনুদান পাঠিয়েছে প্রতিটি জেলায়। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী স্যারের নির্দেশনায় অনলাইনভিত্তিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন চলছে সারা বাংলাদেশে, যা বাস্তবায়ন করছে জেলা শিল্পকলা একাডেমী। যার মাধ্যমে স্থানীয় শিল্পীরা সামান্যতম হলেও উপকৃত হচ্ছেন। মহামারী করোনাভাইরাস মোকাবেলার জন্য আমাদের সকলকে এভাবে সামনের দিনগুলোর জন্য প্রস্তুতি নিয়ে থাকতে হবে এবং একজন শিল্পীর পাশে আর একজন শিল্পীকে দাঁড়াতে হবে তাহলে এই সাংস্কৃতিক যুদ্ধে আমরা সকলে জয়ী হবো শিল্পীরা।পৃথিবী আবার সুস্থ্য হয়ে উঠুক-একান্ত
সাক্ষাতকারে নৃত্যশিল্পী নাইম (২)
নড়াইল প্রতিনিধি ॥ বর্তমান ও অন্যান্য প্রসঙ্গে নড়াইলের কৃতি সন্তান বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে নৃত্যশিল্পী (গ্রেড-৩) হিসেবে কর্মরত নাইমুজ ইনাম নাই দিলেন একান্ত সাক্ষাতকার।
প্রতিবেদক: কেমন আছেন নাইম, সময় কিভাবে কাটছে ?
নাইম: মহান আল্লাহপাকের অশেষ রহমতে ও তার শুকরিয়া সুস্থ আছি এবং ভালো আছি। লকডাউনের কারণে বাসায় আছি, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছি। ছোটখাটো অনলাইন ভিত্তিক কাজ করছি। এভাবেই চলে যাচ্ছে সময়।
প্রতিবেদক: নৃত্যশিল্পী হওয়ার পেছনের গল্পটা যদি বলতেন।
নাইম: আমার জন্ম নড়াইল শহরের আলাদাতপুরে। পরিবারের একমাত্র সন্তান আমি। আমি ছোট বেলা থেকে সাংস্কৃতিকমনা ছিলাম। নাচ-গান আমার খুব পছন্দ ছিলো। আমার ছোট বেলায় আমার আম্মু স্থানীয় একটি গানের স্কুলে ভর্তি করে দেন। কিন্তু সেখানে গানের মনোযোগ বসেনি। নাচের ক্লাসে লুকিয়ে লুকিয়ে মনোযোগ দিতাম। আর সেই থেকে নাচের প্রতি আমার আকৃষ্টতা। বাংলাদেশ থেকে চার বছরের ডিপ্লোমা এবং এক বছরের সর্ট কোর্স করেছি ভারতে। আমার নাচের হাতে খড়ি দিয়েছেন গোপাল চন্দ্র কুন্ডু স্যার।
প্রতিবেদক: কখনো পরিবার থেকে কোনো বাঁধা পেয়েছেন কিনা ?
নাইম: সত্যি বলতে আসলে এমন কখনো হয়নি। আমার আম্মু ইসমত আরা আওয়ামীলীগ রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তিনি বর্তমানে নড়াইল জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সবাই মনে করতেন আমি হয়তো রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়বো। কিন্তু আমার পরিবার সব সময় আমার ইচ্ছাকে প্রাধান্য দিয়েছেন। আমি যেভাবে আমার লাইফটাকে গোছাতে চেয়েছি তারা সেভাবে সহযোগিতা করেছেন এবং আমার সাংস্কৃতিক অঙ্গনে প্রবেশে সবচেয়ে বড় অবদান আমার মায়ের। তিনি হাজারো ব্যস্ততার মাঝে আমাকে সময় দিয়েছেন এবং একজন জাতীয় মানের শিল্পী হিসেবে আমাকে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে সব সময় আমাকে সহযোগিতা করেছেন। আমার সাহসই আমার অনুপ্রেরণা।
প্রতিবেদক: নাচের প্রাপ্তি নিয়ে যদি কিছু বলতেন।
নাইম: কথায় আছে কর্মের ফল আশা করা উচিত নয়, তোমার কর্ম হবে তোমার পরিচয়। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে নৃত্যশিল্পী হিসেবে চাকরি করছি, এটাই আমার জন্য সবচেয়ে বড়প্রাপ্তি। এছাড়া জাতীয় শিশু কিশোর প্রতিযোগিতায় জাতীয় পুরষ্কার পেয়েছি। ২০১৭ সালে বাংলাদেশ থেকে মনোনীত হয়ে ৯০টি দেশের মধ্যে বেস্ট পারফরমার নৃত্যশিল্পী হিসেবে ইন্টারন্যাশনাল কান্ট্রি কনসেপ্ট নোট অ্যাওয়ার্ড-২০১৭ পেয়েছি এবং সেই পুরষ্কারটি তুলে দিয়েছিলেন দিল্লীর মূখ্যমন্ত্রী। স্বাধীনতা দিবসে গুণীজন সংবর্ধনায় নৃত্যশিল্পী হিসেবে সম্মাননা পেয়েছি। প্রাণের সৌজন্যে তোমার হাতে আলোর মশাল শিরোনামে তরুণ প্রতিভাবান নৃত্যশিল্পী হিসেবে সম্মাননা পেয়েছি। এছাড়া জেলা প্রশাসক সম্মাননা, নড়াইল নৃত্যকলা পদক, বঙ্গবন্ধু তরুণ লেখক পরিষদ সম্মাননা, কবি-সাহিত্যিক পরিষদ সম্মাননা, নিরাপদ সড়ক চাই সম্মাননাসহ আরো অসংখ্য পুরষ্কার ও সম্মাননা পেয়েছি।
প্রতিবেদক: স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং মুজিব শতবর্ষ অনুষ্ঠানে আপনার সম্পৃক্ততা নিয়ে যদি কিছু বলতেন?
নাইম: স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে টানা ১০দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা, জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে ২১ ও ২২ মার্চ বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। প্রায় এক হাজার শিল্পীর অংশগ্রহণ করা সেই অনুষ্ঠানের দল সমন্বয়কারীর দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি শিল্পী হিসেবে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করি। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী স্যারের নির্দেশনায় অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানমালা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহেনা খুবই প্রশংসা করেছেন। কিন্তু দু:খের বিষয় এই অনুষ্ঠানের পরবর্তীতে আমি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘ একমাস পরে আরোগ্য লাভ করি।
প্রতিবেদক: নাচ নিয়ে ভবিষ্যত পরিকল্পনা কি?
নাইম: দেখুন নাচলো আমার কাছে মুদ্রার এপিঠ আর ওপিঠ। নাচ নিয়ে আমার অনেক পরিকল্পনা রয়েছেভ। বর্তমানে আমি বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে নৃত্যশিল্পী (গ্রেড-৩) হিসেবে কর্মযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছি। উপমহাদেশের প্রখ্যাত কিংবদন্তী উদয় শংকর গুরুজীর মতো যখন মানুষ আমাকে এক নামে চিনবে বা জানবে-এই আশা নিয়ে কাজ করে চলেছি। যখন নাচটা আর করতে পারবোনা তখন মঞ্চের পেছনে কাজ করবো। নতুন নতুন প্রযোজনা তৈরি করবো। নৃত্য পরিচালনা করবো এটাই আমার প্রত্যাশা।
প্রতিবেদক: করোনার প্রভাব কাটিয়ে নৃত্যঅঙ্গন-এই সংকট থেকে উত্তোরণের জন্য আপনারা নৃত্যশিল্পীরা কোন পথ অবলম্বন করছেন ?
নাইম: করোনা ভাইরাসের এই ভয়াল থাবায় পৃথিবী অন্ধকারাচ্ছন্ন। সম্পূর্ণ পৃথিবীর অর্থনীতি বিপর্যস্ত আজ। বাংলাদেশের সংস্কৃতি কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে, ঝিমিয়ে পড়েছে। করোনাভাইরাসের কারণে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে অশনি ভাটা। আর এই পরিস্থিতির মধ্যে বাংলাদেশের সংস্কৃতির চাকা সচল রাখার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন প্রণোদনা ঘোষণা করেছেন শিল্পীদের জন্য । তার মধ্যে বাংলাদেশের সকল জেলার শিল্পীদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন। যা বাস্তবায়ন করেছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। পাশাপাশি অসহায় অস¦চ্ছল শিল্পীদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে সরকার। বাংলাদেশ নৃত্যশিল্পী সংস্থা কেন্দ্রীয়ভাবে অনুদান পাঠিয়েছে প্রতিটি জেলায়। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী স্যারের নির্দেশনায় অনলাইনভিত্তিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন চলছে সারা বাংলাদেশে, যা বাস্তবায়ন করছে জেলা শিল্পকলা একাডেমী। যার মাধ্যমে স্থানীয় শিল্পীরা সামান্যতম হলেও উপকৃত হচ্ছেন। মহামারী করোনাভাইরাস মোকাবেলার জন্য আমাদের সকলকে এভাবে সামনের দিনগুলোর জন্য প্রস্তুতি নিয়ে থাকতে হবে এবং একজন শিল্পীর পাশে আর একজন শিল্পীকে দাঁড়াতে হবে তাহলে এই সাংস্কৃতিক যুদ্ধে আমরা সকলে জয়ী হবো শিল্পীরা।