পিবিআই’র এসপি’র বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা

এবিসি বাংলা ডেস্কএবিসি বাংলা ডেস্ক
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  07:00 PM, 12 August 2021

এবিসি ডেস্ক:পিবিআইয়ের এসপি মোকতার হোসেনের বিরুদ্ধে এবার ধর্ষণের মামলা রেকর্ডের নির্দেশ দিলো আদালত। পুলিশের এক নারী পরিদর্শক মামলাটি দায়ের করেন। আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে উত্তরা পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) এজাহার গ্রহণ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

আজ বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) বিকেলে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক কামরুন্নাহারের আদালত এ আদেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালত সূত্র তথ্যটি নিশ্চিত করেছে।

এরআগে দুপুরে সংশ্লিষ্ট আদালতে মামলাটির আবেদন করেন ভুক্তভোগী নারী। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে নথি পর্যালোচনার পর আদেশ দেবেন বলে জানান।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৯ সালে বাদী ও আসামি দুজনই জাতিসংঘ শন্তিরক্ষী বাহিনীতে সুদানে কর্মরত ছিলেন। ২০১৯ সালের ২০ ডিসেম্বর দুপুরে আসামি বাদীর বাসায় গিয়ে বাদীর ব্যবহৃত গাড়ির চাবি চান। বাদী গাড়ির চাবি ইউনিফর্মের পকেট থেকে আনতে গেলে আসামি পেছন থেকে তাকে জাপটে ধরেন এবং জোর পূর্বক ধর্ষণ করেন। এরপর ধর্ষণের ঘটনা কাউকে না জানাতে আসামি বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখান এবং হুমকি-ধামকি দেন। এর দুই দিন পর ওই বছরের ২২ ডিসেম্বর আসামি পুনরায় পূর্বের ঘটনা ‘ভুল হয়েছে’ বলে বাদীর বাসায় যান। কিন্তু ওইদিনও তিনি বাদীকে ধর্ষণ করেন। এই ঘটনাও কাউকে না জানাতে আসামি বাদীকে হুমকি দেন। যদি বাদী কাউকে এ ঘটনা জানান তাহলে ভীষণ ক্ষতি হবে তার- এমন ভয় দেখান।

অভিযোগে বাদী আরো বলেন, এক পর্যায়ে আসামি বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন। বাদী এবিষয়ে পুলিশ ডিপার্টমেন্টে অভিযোগ করেন। সে অভিযোগটির এখনো মীমাংসা হয়নি, তদন্ত চলছে।

পিবিআইয়ের এসপি মোকতার হোসেনের বিরুদ্ধে পুলিশের এক নারী পরিদর্শকের দায়ের করা ধর্ষণের মামলা উত্তরা পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) এজাহার গ্রহণ করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) বিকেলে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক কামরুন্নাহারের আদালত এ আদেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালত সূত্র তথ্যটি নিশ্চিত করেছে।

এর আগে দুপুরে সংশ্লিষ্ট আদালতে মামলাটির আবেদন করেন ভুক্তভোগী নারী। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে নথি পর্যালোচনার পর আদেশ দেবেন বলে জানান।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৯ সালে বাদী ও আসামি দুজনই জাতিসংঘ শন্তিরক্ষী বাহিনীতে সুদানে কর্মরত ছিলেন। ২০১৯ সালের ২০ ডিসেম্বর দুপুরে আসামি বাদীর বাসায় গিয়ে বাদীর ব্যবহৃত গাড়ির চাবি চান। বাদী গাড়ির চাবি ইউনিফর্মের পকেট থেকে আনতে গেলে আসামি পেছন থেকে তাকে জাপটে ধরেন এবং জোর পূর্বক ধর্ষণ করেন। এরপর ধর্ষণের ঘটনা কাউকে না জানাতে আসামি বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখান এবং হুমকি-ধামকি দেন। এর দুই দিন পর ওই বছরের ২২ ডিসেম্বর আসামি পুনরায় পূর্বের ঘটনা ‘ভুল হয়েছে’ বলে বাদীর বাসায় যান। কিন্তু ওইদিনও তিনি বাদীকে ধর্ষণ করেন। এই ঘটনাও কাউকে না জানাতে আসামি বাদীকে হুমকি দেন। যদি বাদী কাউকে এ ঘটনা জানান তাহলে ভীষণ ক্ষতি হবে তার- এমন ভয় দেখান।

অভিযোগে বাদী আরো বলেন, এক পর্যায়ে আসামি বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন। বাদী এবিষয়ে পুলিশ ডিপার্টমেন্টে অভিযোগ করেন। সে অভিযোগটির এখনো মীমাংসা হয়নি, তদন্ত চলছে।

 

ঢাকা বিভাগ

আপনার মতামত লিখুন :