চৌগাছা পৌরবাসী দ্রুতই পাবেন বিশুদ্ধ পানি

15

>>দ্রুতগতিতে নির্মিত হচ্ছে ট্যাংক ও পানি শোধনাগার
চৌগাছা(যশোর)প্রতিনিধি:চৌগাছা পৌরবাসীর বহু দিনের কাঙ্খিত সাপ্লাই পানি পাওয়া এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। খুব দ্রুত গতিতেই এগিয়ে চলেছে পানির ট্যাংক ও শোধনাগার নির্মাণের কাজ। কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে পানির ট্যাংক ও পানি শোধনাগার। ইতোমধ্যে মেইন সড়কের পাশ দিয়ে পানির পাইপ লাইন বসানোর কাজও শুরু হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে এবছরের শেষ অথবা আগামী বছরের প্রথমদিকেই এর সুফল পাবে পৌরবাসী-এমনটিই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সূত্র জানায়, বর্তমান সরকার দেশের ১৯ জেলার ৩০টি পৌরসভায় পানি ও স্যানিটেশন সুবিধার লক্ষ্যে ১ হাজার ৭’শ ৫১ কোটি ৫০ লাখ টাকার প্রকল্প হাতে নেয়। ৩০টি পৌরসভার মধ্যে ১টি হচ্ছে যশোরের চৌগাছা পৌরসভা। গত বছরের ৫ অক্টোবর এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী বিভাগের পানি সরবরাহ ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের পরিচালক মীর আব্দুস শাহিদ। উদ্বোধনের পর হতেই বিরামহীন ভাবে চলছে পৌরবাসীর জন্য নিরাপদ সুপেয় পানি সরবরাহের কাজ। পৌরসভা চত্বরে নির্মিত হচ্ছে দ্বিতল ভবন। এছাড়া পৌরসভা চত্বরে স্থাপন করা হয়েছে প্রায় সাড়ে ৭শ’ ফুট গভীর একটি বোরিং। উপজেলা পরিষদের অভ্যন্তরে ও পানি শোধনাগারের পাশে অনুরুপ আরও দু’টি বোরিং স্থাপন হয়েছে। ইতোমধ্যে উপজেলা ও পৌরসভার মধ্যে স্থাপিত বোরিং হতে পাইপ লাইন স্থাপনের বাজ শুরু হয়েছে। এই বোরিং হতে পানি বিশ্বাসপাড়ার মুল শোধানাগারে পৌঁছানোর জন্যই পাইপ লাইনের কাজ চলছে বলে জানা গেছে।
এদিকে বিশ্বাসপাড়া মহল্লার নিচে রাইসার বিলের ধারে মুল শোধনাগারের কাজ বেশ তড়িৎ গতিতে এগিয়ে চলেছে। প্রায় অর্ধশত শ্রমিক নিরালসভাবে কাজ করে চলেছেন। ইতোমধ্যে সেখানে সুবিশাল পানির ট্যাংকের কাজ বেশ এগিয়েছে। অনুরুপভাবে এগিয়ে চলেছে পানিশোধানাগারের কাজও। বিশাল এই প্রকল্পের কাজ দেখতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিদিনই সেখানে মানুষ যাতায়াত করছেন বলে জানান কর্মরত শ্রমিকরা।
পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মজিবর রহমান জানান, প্রকল্পের কাজ বেশ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। ইতোমধ্যে অনেক কাজই দৃশ্যমান হয়েছে। এই কাজ শেষ হলে পৌরবাসীর বহুদিনের স্বপ্ন পূরণ হবে বলে আমি মনে করছি।
পৌর মেয়র নূর উদ্দিন আল মামুন হিমেল বলেন, আধুনিক পৌরসভা গঠনের লক্ষ্য নিয়ে আমি কাজ করে যাচ্ছি। বিগত ৫ বছরে যথেষ্ট উন্নয়ন হয়েছে, সেই ধারাবাহিকতায় গত নির্বাচনেও পৌরবাসী আমার ওপর আস্থা রেখেছেন। আমি পৌরবাসরি সেই আস্থার প্রতিদান দিতে কাজ করে যাচ্ছি। সামনে আরও নানা ধরণের উন্নয়ন কাজ হবে, সকল উন্নয়নে তিনি পৌরবাসীর সার্বিক সহযোগীতা কামনা করেছেন।