চৌগাছায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল রাজমিস্ত্রির

37

চৌগাছা(যশোর)প্রতিনিধি:যশোরের চৌগাছায় সড়ক দুর্ঘটনায় তাপস কুমার দাস (৩৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হন মানিক কুমার দাস (৩২) নামে অপর এক ব্যক্তি। বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার পাতিবিলা ইউনিয়নের তেঘরী মাঠের মধ্যে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত তাপস রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন।
এদিকে সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তির মৃত্যুতে শোকের সাগরে ভাসছেন পরিবারটি। স্বজনদের আহাজারীতে আশপাশের পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে।নিহতের স্বজন ও হাসপাতাল সূত্রে জানাযায়, বৃহস্পতিবার পাতিবিলা ইউনিয়নের বিশ^নাথপুর ঋষি পাড়ায় একটি ধর্মীয় উৎসবের আয়োজন করা হয়। সেখানে দাওয়াত খেতে যান যশোর ধর্মতলার মাধব কুমার দাসের জামাতা তাপস কুমার দাস। দাওয়াত খাওয়া শেষে চৌগাছা পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের ঋষি পল্লীর নিরাঞ্জন কুমার দাসের ছেলে মানিক কুমার দাসের সাথে একটি পালসার মোটরসাইকেল যোগে তারা চৌগাছা উপজেলা সদরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পথিমধ্যে তেঘরী প্রাইমারী স্কুল সংলগ্ন স্থানে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মোটরসাকেলটি একটি খেজুর গাছের সাথে ধাক্কা লাগে। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তাপস কুমার দাস। আর মারাত্মক আহত হন অপর আরোহী মানিক কুমার দাস। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে দ্রুত চৌগাছা হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক তাপসকে মৃত ঘোষণা করেন। অপরজন মানিক কুমারকে দ্রুত যশোরে রেফার করেন।
তাপস কুমার দাসের শ^শুর মাধব কুমার দাস বলেন, তাপস কুমার দাসের নিজ বাড়ি নড়াইল জেলার সদর উপজেলার আগদিয়ারচর গ্রামে। তার বাবার নাম শ্রীরঞ্জন কুমার দাস। বিয়ের পর সে যশোর ধর্মতলায় আমার বাড়িতে থাকতো। পেশায় রাজমিস্ত্রি ছিল। একটি দাওয়াতে পরিবারের সকলেই চৌগাছার বিশ^নাথপুর গ্রামে এসেছিলাম।
চৌগাছা উপজেলা হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক নিশাত তারান্নুম তনু বলেন, দুর্ঘটনায় তাপস কুমার দাস হাসপাতালে আসার আগেই মারা যান, আর মানিক কুমার দাসের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাকে দ্রুত যশোরে রেফার করা হয়েছে।