চৌগাছায় ককটেল বোমা উদ্ধার:জনমনে আতংক

21

চৌগাছা প্রতিনিধি:যশোরের চৌগাছায় একটি ককটেল বোমা উদ্ধার হয়েছে। উপজেলার পিতম্বরপুর গ্রামের একটি বাড়ির খড়ির মাচার নিচে থেকে থানা পুলিশ ককটেল বোমাটি উদ্ধার করে। বোমাটি উদ্ধারের পর এলাকায় আতংক ছড়িয়ে পড়ে। ওই বাড়ির লোকজনকে ফাঁসাতে চিহ্নিত একটি সন্ত্রাসী চক্র বোমাটি রাখতে পারে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয়রা জানান, উপজেলার পিতম্বরপুর গ্রামের আব্দুল মালেকের বাড়ির খড়ির মাচার নিচ থেকে ককটেলটি উদ্ধার করা হয়। শনিবার দুপুরে এ গ্রামের আব্দুল মালেকের স্ত্রী পারুল বেগম খড়ির মাচার নিচ থেকে হাঁস বের করতে গিয়ে একটি লাল শপিং ব্যাগ দেখতে পান। শপিং ব্যাগে লাল টেপ জড়ানো বোমা সদৃশ্য বস্তু দেখতে পেয়ে তিনি আশেপাশের লোকজনকে ডাকেন। এ সময় তারা আতংকিত হয়ে ট্রিপল নাইনে ফোন দেন। ট্রিপল নাইনের ফোন পেয়ে থানার এস আই মোঃ এনামুল ককটেল বোমা নিশ্চিত করে সেটি উদ্ধার করেন।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, পিতাম্বরপুর গ্রামে একটি শক্তিশালী সন্ত্রাসী গ্রুপ রয়েছে। তাদের কাছে অস্ত্র ও বোমা আছে। ইতোপূর্বে ওই সন্ত্রাসী চক্র বোমা ফাটানোসহ ফাঁকা গুলিবর্ষণও করেছে প্রকাশ্যে। কিন্তু ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পান না।
বাড়ির মালিক আব্দুল মালেকসহ আশপাশের লোকজন বলেন, তাদের ফাঁসাতে এই ককটেল বোমাটি কোন এক সময় রাখা হয়েছে।
ছেলে আব্দুস সালাম জানান, এ গ্রামে কারা সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়িত তা সকলে জানে। তারাই আমাদের ফাঁসানোর জন্য বোমাটি রাখতে পারে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান, স্থানীয় এক সন্ত্রাসীর নেতৃত্বে সন্ত্রাসী চক্রটি গড়ে উঠেছে। গ্রামে অশান্তি সৃষ্টির লক্ষে চক্রটি নানা ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে। গ্রামের লোকজন ওই সন্ত্রাসীদের কেউ পছন্দ করে না। তাদের নানা অপরাধমূলক কাজেরও সমর্থন করে না। যেকারণে গ্রামের মানুষকে ফাঁসাতে ও আতংক সৃষ্টি করতে পরিকল্পিতভাবে এই বোমা রাখা হয়েছে। আমরা সুষ্ঠু তদন্তের জন্য থানা পুলিশের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
এ বিষয়ে থানার এস আই এনামুল হক জানান, ঘটনাস্থল থেকে ককটেলটি উদ্ধার করা হয়েছে। বাড়ির মালিক ও এলাকাবাসির সাথে কথাও হয়েছে। বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছি।