ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে পিরোজপুরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

22

ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াসের’ প্রভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে পিরোজপুরের কঁচা, বলেশ্বর, সন্ধ্যা ও কালিগঙ্গাসহ সব নদ-নদীর পানি। সব নদীর পানিই বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে জেলার উপকূলীয় এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া থেমে থেমে বৃষ্টির সঙ্গে হালকা বাতাসও হচ্ছে। আরও খবর>>‍বিকেল পেরিয়ে উড়িষ্যা অঞ্চলে আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড় ইয়াস

মঙ্গলবার (২৫ মে) ইন্দুরকানি উপজেলার কঁচা নদীর চরখালী ফেরিঘাট এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, বেড়িবাঁধের ভাঙা অংশ দিয়ে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করেছে। এতে পানিতে তলিয়ে গেছে অসংখ্য বাড়িঘর ও দোকানপাট। ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের রেশ কাটতে না কাটতেই ইয়াসের প্রভাবে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ায় শঙ্কায় দিন কাটছে উপকূলবাসীর।

কঁচা নদীর তীরে বসবাসকারী জলিল শেখ বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে নদীর পানি বেড়েছে। বেড়িবাঁধের ভাঙা অংশ দিয়ে খুব সহজেই পানি প্রবেশ করছে। এতে আমাদের বাড়িঘর পানিতে তলিয়ে গেছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মেহেদী হাসান বলেন, ‘পিরোজপুরে নদীর পানি বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে নদী তীরবর্তী এলাকাগুলো পানিতে তলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’

এদিকে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. মোজাহারুল হক বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় ইয়াস মোকাবিলায় পিরোজপুরের সাতটি উপজেলায় ২৩৫টি সাইক্লোন শেল্টার এবং ৩২২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিয়ে মোট ৫৫৭টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। স্কাউট ও রেডক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবকসহ ৬৭টি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রয়েছে।’