কৃষক ও ক্ষুদ্র খামারীর খেলাপী ঋণ মওকুফসহ মামলা প্রত্যাহারের দাবি

এবিসি বাংলা ডেস্কএবিসি বাংলা ডেস্ক
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  10:11 PM, 01 April 2019

ভাস্কর মনি সরকার, সুনামগঞ্জ: এটি শুধুমাত্র বাংলায় নয় গোটা বিশ্বে প্রযোজ্য। তথাকথিত সভ্য সমাজের স্মার্ট ফোন বা স্যুট-বুট লুকিয়ে রাখে প্রকৃত দেশকে। তাদের বিভিন্ন উৎসবে চাপা পড়ে যায় অন্নদাতার কান্নার রোল। ঠিক এইরকম পরিস্থিতি চলতে চলতেই চাষিরা নিশ্চিত ভাবেই উপলব্ধি করবে মৃত্যু ছাড়া কোনও রাস্তা নেই। সেই সঙ্গে হয়ত অতীত ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি সৃষ্টি হতে পারে তারা বুঝতে পারবে অধিকার কেউ কখনও কাউকে দেয় না। তা আসলে ছিনিয়ে নিতে হয়। যার একমাত্র মাধ্যম লড়াই এবং ঐক্যবদ্ধ গণ-আন্দোলন। তারা তাদের পূর্ব অভিজ্ঞতা কে কাজে লাগিয়ে বলতে পারে ‘দুনিয়ার মজদুর এক হও’ স্লোগানের বাস্তবতাকে নিশ্চয়ই বুঝাতে পারে বাংলায়। যদি সব কৃষক, সেবা সংগঠন এক ছাতার তলায় আসে। এই প্রবল গৈরিক আগ্রাসনের মুখে সাফল্য ঘঠাতে। তাদের ভাবনার নির্যাস সকল সাধারণ কৃষক ও খেতমজুরদের কাছে পৌঁছাতেও পারে । অতীতে দেশের রাজনীতিতে যে ঐতিহাসিক কৃষক বিক্ষোভ সংগঠিত হয়েছে তা নতুন করে লড়াইয়ের অনুপ্রেরণা যোগাতে পারে। আমাদের এবিসি পরিবার চায় বিশেষ অধিবেশন আহ্বান করে কৃষকের ঋন মওকুফ ও পুলিশ কতৃক সকল গায়েবি মামলা প্রত্যাহার করে কার্যকরী করতে আইন পাশের মাধ্যেমে। কৃষকের জন্য আমাদের সুস্পষ্ট দাবী মূলতঃ তিনটি। ১. ফসলের ন্যায্য দাম ২. কৃষি ও ক্ষুদ্র খামারীর খেলাপি ঋণ মওকুফ ৩. সুদ মুক্ত অনন্ত ২ লাখ টাকা ঋণ বিতরণ সার্টিফিকেট ও পুলিশবাদী নাশকতার মামলার প্রত্যাহার। সাধারণ কৃষক যদি প্রশ্ন করে সরকার কে দেশের শিল্পপতিদের লক্ষ কোটি টাকার ঋণ মকুব করতে পারেন, তবে কৃষকদের বেলায় কেন তা হবে না? এটি বেশ স্পষ্ট যে বলা বাহুল্য, তারা কিন্তু প্রশ্নটি করতে পারছেনা। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত প্রতিটি সভায় মিছিল ও মিটিং করে নেতা, নেত্রীরা সরকার বিরুদ্ধে হুঙ্কার ছাড়ে অথচ কৃষকদরদী কোনো নেতা,নেত্রীদের কৃষকের এ বিষয়ে অবস্থান কী? আজকে ৯০ দিনের যে ক্যাম্পেইন করতে চলচ্ছে এবিসি পরিবার বাংলার কৃষকের পক্ষে কথা বলছে বা কৃষককে সংগঠিত করতে চাইচ্ছে লড়াইয়ে জন্য? উত্তর হবে, নিশ্চয়ই না। আমাদের উদ্দেশ্য ও কৃষকদের একত্রিত করার সুস্পষ্ট মূল লক্ষঃ তিনটি। উত্তর নিশ্চয়ই ভবিষ্যতে ইতিহাস দেবে। তবে এটি মানতেই হবে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ধীরে ধীরে কৃষকদের কৃষি চাষ ও ফসল উৎপাদনের উপর থেকে নির্ভরশীলতা কমে যাচ্ছে। এভাবে কমতে থাকলে একদিন দেশে কৃষকেদের লড়াইয়ে রূপান্তরিত হওয়ার ক্ষেত্র তৈরির অভিমুখেই তা এগোবে

আপনার মতামত লিখুন :