করোনায় ২৪ ঘন্টায় সর্বোচ্চ ২৩১ জনের মৃত্যু দেখলো বাংলাদেশ

14

এবিসি ডেস্ক:আবারও ২৪ ঘন্টায় করোনা সর্বোচ্চ প্রাণ নিলো বাংলাদেশে। একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়ে দেশে মৃত্যুবরণ করেছেন ২৩১ জন, যা গত দেড় বছরের মহামারিকালে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড। এরআগে গত ১১ জুলাই ২৩০ জনের মৃত্যুর খবর দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদফতর, যা আজকের আগ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ছিল।

সোমবার (১৯ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো করোনাভাইরাস সম্পর্কিত নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

গত ২৪ ঘণ্টার ২৩১ জনকে নিয়ে দেশে করোনায় সরকারি হিসাবে করোনায় মৃত্যু ১৮ হাজার ছাড়িয়ে গেলো। স্বাস্থ্য অধিদফতর জানাচ্ছে, করোনা আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত মারা গেলেন ১৮ হাজার ১২৫ জন।

মৃত্যুর এই নতুন রেকর্ডের দিনে করোনা শনাক্ত হয়েছেন ১৩ হাজার ৩২১ জন। এদের নিয়ে দেশে করোনা আক্রান্ত এখন পর্যন্ত সরকারি হিসাবে শনাক্ত হলেন ১১ লাখ ১৭ হাজার ৩১০ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন নয় হাজার ৩৩৫ জন। এদের নিয়ে দেশে করোনা থেকে সুস্থ হলেন নয় লাখ ৪১ হাজার ৩৪৩ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা রোগী শনাক্তের হার ২৯ দশমিক ৫৯ শতাংশ আর এখন পর্যন্ত ১৫ দশমিক ৩০ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৪ দশমিক ২৫ শতাংশ আর মৃত্যুর হার এক দশমিক ৬২ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার নমুনা সংগৃহীত হয়েছে ৪৬ হাজার ৪৫১টি আর পরীক্ষা হয়েছে ৪৫ হাজার ১২টি। দেশে এখন পর্যন্ত করোনার মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৭৩ লাখ ৩৯৯টি। এরমধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ৫৩ লাখ ৬০ হাজার ৩১২টি আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১৯ লাখ ৪০ হাজার ৮৭টি।

গত একদিনে করোনায় মারা যাওয়া ২৩১ জনের মধ্যে পুরুষ ১৩৬ জন আর নারী ৯৫ জন। এদের নিয়ে দেশে করোনায় এখন পর্যন্ত পুরুষ মারা গেলেন ১২ হাজার ৫৫০ জন আর নারী পাঁচ হাজার ৫৭৫ জন।

২৩১ জনের মধ্যে ৯১ থেকে ১০০ বয়সের মধ্যে মারা গেছেন চার জন, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে ১৭ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ৪৪ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ৭৪ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৪৩ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ৩৩ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে নয় জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ছয় জন আর ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে একজন।

এদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের মারা গেছেন ৭৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ৪৩ জন, রাজশাহী বিভাগের ১৬ জন, খুলনা বিভাগের ৫৭ জন, বরিশাল বিভাগের ছয় জন, সিলেট বিভাগের আট জন, রংপুর বিভাগের ১৭ জন আর ময়মনসিংহ বিভাগের ১১ জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, ২৩১ জনের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন ১৬৭ জন, বেসরকারি হাসপাতালে ৪৬ জন আর বাড়িতে ১৮ জন।