সুলতানা খান দিনার এক গুচ্ছ কবিতা

এবিসি বাংলা ডেস্কএবিসি বাংলা ডেস্ক
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  08:52 PM, 09 April 2019

মায়ার বন্ধন এবিসি
-সুলতানা খান দিনা

অফুরন্ত মায়ার বাধনে বন্ধন
মিশে আছে এবিসি অনলাইন এক্টিভিস্ট ইউনিটে
ছুটে চলা দিবানিশি চিরন্তন।
সুন্দর স্বপ্নে বিচরিত সারাক্ষণ
বাস্তব চিত্তে চলা বিচক্ষণ।
সুন্দর সম্পর্কের নিমিত্তে চলা
শালীন ভাবেই অন্যকে বলা।
কথার আঘাতই সবার স্মরণীয়
অপব্যবহারের কষ্টে অবর্ননীয়।
জীবন সংগ্রাম সামাজিক নিয়মে
নিরন্তর ছুটে চলা উর্ধ্বশ্বাসে।
ব্যতয় জীবনে যবনিকা পতন
উদ্যোমে চলার নামই জীবন।
পারিবারিক বিপর্যয় কাম্য নয়
মানুষিক শান্তি সর্বজন চায়।
মন ব্যকুলতায় অপ্রাপ্তির সুরে
শান্তির বাতায়ন চায় ঘরে ঘরে।
মন কারো সাথে মিলেনা কভু
জানে শুধু মন একমাত্র প্রভু,
এসো বন্ধু এবিসিতে থেকে গড়ে
তুলি সম্প্রীতির বন্ধন
……………………………….

কিছু কথা – কখনও বলা হয় নি
-সুলতানা খান দিনা 

কিছু কথা – কখনও বলা হয় নি – ।
জানালার ধারে – মাথা এলিয়ে –
বৃষ্টি যখন আদর করে ঘুম পাড়িয়ে দিতো –
পরতে পরতে ভিজে হাওয়ার নরম ছোঁয়া –
বড় ভালোবাসতাম।
গোধূলি হাওয়ায় – রং তুলি সাজানো ক্যানভাস –
তোমার শূন্য দৃষ্টির মতো – সাজানো শস্য ,
অথবা উষ্ণ নিঃশ্বাসের ঘ্রান
আমায় মাতাল করে দিতো –
বড় ভালোবাসতাম।
কখনও বলা হয় নি –
এখনও বলা হয় নি – কিছু কথা
ভালোবাসতাম – বলা হয় নি – ।
এক উষ্ণতা আমি চুরি করে এনেছি
রাত্রির ওপার থেকে –
সেই কোন ভুলে যাওয়া মেঠো পথ ধরে
তিতিরের ডানার রঙে –
অনেক তারার মতো মুখ, কখনও ভীড় করে আসা
মিঠেপানি নদীটির কূল
উজানে – আমার হারিয়ে যাওয়া
অনেক বাঁধনের থেকে….
কতশত ভালোবাসা আজ ভিখিরি জঠরের মত ৷
কেউ বা মোড় ঘুরেই হঠাৎ অদৃশ্য
কেউ বা মাটির রঙে মিশেগিয়ে ধুসর
কেউ বা ক্ষমাহীন ক্লান্তিহীন সমুদ্রের মতো
শুধুই ছলনায় বিবর্ণ –
কেবল ঢেউ, যাওয়া – আসা
অথবা ……
আকাশের টানে – কখনও জোয়ার অথবা ভাঁটা ৷৷
সেই উষ্ণতা আমি চুরি করে এনেছি –
এই বেলা তুমিও সে উত্তাপ দুহাতে মেখে ৷৷
সময় হয়েছে আর এক রাত্রি আসার ৷৷

কথা ছিল কাল সারারাত
এক মাতাল করা ঝোড়ো জ্যোৎস্না
আমার কড়িকাঠ বেয়ে নেমে আসা
ঈষৎ পান্ডুর মেঘ ঝরা সন্ধ্যা
…….আর সেই কোন ছেলেবেলার ভেসে আসা
কত শত মুখ দেউড়ির খিড়কি দিয়ে
অনেক মুখের থেকে মুখ ধার করে –
ভোরের আলোয় লাল হয়ে যাবে ৷
অনেক মুখের থেকে মুখ
ঠিক মানুষের মুখের মত মুখ –
রাত্রির শরীরে মুখ লুকিয়ে অনেক কেঁদেছি আমি ৷৷
অনেক রাত অবধি শুধু শীতল হাওয়া
শিরশিরে ঠান্ডা হাওয়া….
অনেক কেঁদেছি আমি
তারপর….
ঘুমিয়ে গেছি কখন ৷৷
অদ্ভুত সুন্দর এক ভোর, রমণীর মুখের মত
কখন সে ঠান্ডা বাতাস হয়ে গেছে বসন্ত….. ৷৷
তোমার লাল ফোঁটার মত ভোরে –
আমি আজও খুঁজে ফিরি ……
অনেক মুখের থেকে মুখ
ঠিক মানুষের মুখের মত মুখ ৷৷
……………………………….

” অপ্রত্যাসিত চাওয়া,,

আমি একদিন তুমার চুক্ষে
আমার পৃথীবী দেখেছিলাম,
ফাগুনের সব টুকু রং আমি তুমায় দিয়েছিলাম,
আকাশের নীলীমার রং তুমার কাছ থেকে চেয়ে নিয়েছিলাম,
জমুক কণা মেঘ যদি নীলীমার বুকে হারিয়ে যায় তাই,
সাগরের বুকে আমি তুমায় ঘিরে মুক্তর গহীনে খুজেছি,
তুমার সাথে মায়ার জালে জরাব বলে,,
আমি আমার সব টুকু তুমায় দিয়েছি,
হাতে হাত রেখে বলেছিলে কুন দিন তুমায় ছাড়া রব না এই ভুবনে,,
তবে কেন আস্তা কুড়ে রেখেছ আমায়?
আজও কি কথা রাখার সময় হয়নি তুমার?
আমিতু আজও তুমার অপেক্ষায়ই আছি প্রতি নিয়ত,,
শুধু তুমার জন্য,,
ফ্রি হয়ে ||

…………………………………………..

কালবৈশাখী ঝড়

কালবৈশাখী ঝড় নেই সময়
আসে যখন তখন অবলিলায়।
একদিকে ঘনঘটা কালো মেঘ
অন্যদিকে শান্তির বাতাস ত্যাগ।
একই অঙ্গে বহুরুপ এই দুনিয়ায়
সবই সম্ভব সৃষ্টি কর্তার দয়ায়।
বাতাসের তোরে অজানা ভয়ে
বৃষ্টির পানি তাল বেতালে পরে।
বিদ্যুৎ চমকায় আকাশ পানে
বজ্রপাতের বিষন মরন নেশায়।
আকাশে শব্দের ঝনঝনানি
দুনিয়া আলোকিত বিকট শব্দে।
দিনের যেন অন্ধকারে মিলিয়ে
ভয়ের বার্তা জনে জনে মিশিয়ে।
বিপদ সম কালবৈশাখীর ছোবল
কোথায় কি হবে জানে বিধাতা।
গরমের মাঝে শীতের ছোয়া
ভয়ার্ত অনুভূতি অনুভবে ছায়ায়

বাংলাদেশ

আপনার মতামত লিখুন :