ইস্কাটনের জনকণ্ঠ ভবনে আতিকুল্লাহ খান মাসুদ

27

প্রিয় প্রতিষ্ঠান   জনকণ্ঠ ভবনে এসেছেন দৈনিক জনকণ্ঠের সম্পাদক, মুদ্রাকর ও প্রকাশক এবং গ্লোব জনকণ্ঠ শিল্প পরিবারের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আতিকউল্লাহ খান মাসুদ। তবে এবার প্রতিদিনের মত হাসোজ্জল চেহারা নিয়ে নয়। এসেছেন লাশবাহী ফ্রিজিং গাড়ীতে করে কফিনের ভিতর।

আজ সোমবার দুপুর ২ টার দিকে তাঁর মরদেহ জনকণ্ঠ ভবনে আনা হয়। এ সময় দৈনিক জনকণ্ঠ এবং গ্লোব জনকণ্ঠ শিল্প পরিবারের সাংবাদিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এ সময় এক শোকস্তব্দ পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

উল্লেখ্য, আতিকউল্লাহ খান মাসুদ আজ সোমবার ভোর সাড়ে পাচঁটার দিকে রাজধানীর ক্যান্টনম্যান্টের নিজ বাসায় অসুস্থতা বোধ করলে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসকরা জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মৃত্যু হয়েছে তাঁর।

তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে, পুত্রবধু, ১ নাতি ও ১ নাতনিসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

আতিকউল্লাহ খান মাসুদ গ্লোব জনকণ্ঠ শিল্প পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। তার সম্পাদনায় ১৯৯৩ সালে দৈনিক জনকণ্ঠ প্রকাশিত হয়।

বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিকউল্লাহ খান মাসুদ ১৯৫১ সালের ২৯শে আগস্ট মুন্সীগঞ্জ জেলার মেদিনী মন্ডল গ্রামের সম্ভ্রান্ত খান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। মুক্তিযুদ্ধে তরুণ আতিকউল্লাহ খান মাসুদ ২ নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করেছেন।

তাঁর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ বিভিন্ন মহল শোক প্রকাশ করেছেন।