আজ যশোরের দুই উপজেলার ২৬ ইউপি’র ভোট

নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে নির্বাচনী এলাকা, তৎপর রয়েছেগোয়েন্দা সংস্থাগুলো

এবিসি নিউজ>এবিসি নিউজ>
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  05:41 PM, 04 January 2022
ফাইল ছবি

বুধবার (৫ জানুয়ারি) যশোর সদর উপজেলার ১৫টি ও কেশবপুর উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ভোট । সোমবার মধ্যরাত থেকে সব ধরণের প্রচার-প্রচারণা শেষ হয়েছে। নির্বাচন নিয়ে নানা সংশয় ও উদ্বেগ-উৎকন্ঠা রয়েছে। যদিও যশোর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) জাহাংগীর আলম কঠোর হুঁশিয়ারী দিয়ে বলেছেন ভোটে বিঘ্ন ঘটানোর চেষ্টা করলে কঠোর শাস্তি ভোগ করতে হবে।

তিনি বলেন নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে উপজেলার ২৬ ইউপি নির্বাচন এলাকা। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে কড়া নজরদারি রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

কিন্তু জনমনে কেন উদ্বেগ-উৎকন্ঠা তা নিয়ে রয়েছে নানা কারণ। এসব কারণের মধ্যে অন্যতম দুই উপজেলার ২৬টি ইউনিয়নের মধ্যে ২৫টিতে রয়েছে নৌকার বিপক্ষে দলটির অর্ধশত বিদ্রোহী প্রার্থী। বেশ কয়েকটি ইউনিয়নে মারামারি, ধাওয়া, পাল্টা ঘাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। ফলে নির্বাচনের সহিংসতার আশঙ্কায় রয়েছেন প্রার্থীসহ ভোটাররা।

যশোর সদর উপজেলার ১৫ ইউনিয়নের মধ্যে লেবুতলায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছেন আলীমুজ্জামান মিলন। বাকি ১৪ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন হচ্ছে।

পুলিশ বলছে, যেকোনো মূল্যে  শান্তিপূর্ণ ভোট সম্পন্ন করতে প্রস্তুত রয়েছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। ইতোমধ্যে বেশ কিছু পদক্ষেপও নেয়া হয়েছে। একাধিক অস্ত্র ও বোমাবাজকে আটক করা হয়েছে। আর ভোটের দিন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পর্যাপ্ত সদস্য মাঠে থাকবেন।

 

যশোর সদর ও কেশবপুর ২৬টি ইউপি নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশে সম্পন্ন করতে পুলিশ বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। আর ভোটের দিনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে তারা।

যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম জানান- নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু ও সন্ত্রাসমুক্ত করতে পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও আনসার সদস্যরা মাঠে থাকবে। নির্বাচনী মাঠে কেউ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করার চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। অপরাধীকে কোন রকমের ছাড় দেয়া হবে না।

তিনি বলেন, যশোর সদর ও কেশবপুরে নির্বাচনে দুই হাজার ৮৩৫ জন পুলিশ সদস্য মাঠে থাকবে। যশোর সদরের ১৫টি ইউনিয়নের ২১৫টি কেন্দ্রে দুই হাজার পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি তিন হাজার ৬৫৫ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাব ও বিজিবি সদস্যরা একযোগে কাজ করবে। সদরের প্রতিটি কেন্দ্রের নিরাপত্তায় পুলিশের পাশাপাশি ১৭ জন করে আনসার সদস্য থাকবে। কোনো কেন্দ্রে কোনো ঘটনা কর্তব্যরত পুলিশ ও আনসার সদস্যের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে কট্রোলে জানালে তারা দ্রুত ব্যবস্থা নেবেন।

জেলা নির্বাচন অফিসার হুমায়ন কবীর জানান, যশোরের ১৫টি ইউনিয়নে মোট ভোটার চার লাখ ২১ হাজার ৭৩১ জন। এর মধ্যে পুরুষ দুই লাখ ১২ হাজার ৭৫৮ ও মহিলা দুই লাখ আট হাজার ৯৭২ জন। এছাড়া তৃতীয় লিঙের একজন ভোটার রয়েছেন। মোট ২১৫টি ভোট কেন্দ্রের এক হাজার ১৬৬টি কক্ষে ভোট গ্রহণ করা হবে।

বাংলাদেশ

আপনার মতামত লিখুন :