অসহায় কাজলী রায়ের পাশে ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ


  প্রকাশিত হয়েছেঃ  06:09 PM, 04 February 2020

মিন্টু দত্ত : নীলফামারীর জলডাকা উপজেলার গাবরোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী কাজলী রানী রায়। গত ২৯ জানুয়ারি ওই বিদ্যালয়ের বনভোজন অনুষ্ঠিত হয়। যার জন্য চাঁদা নির্ধারণ করা হয় ২৫০ টাকা। তন্মোধ্যে ২০০ টাকা দেন কাজলীর হতদরিদ্রে পিতা। ৫০ টাকা কম দেয়ায় শিশুটির কাছ থেকে পাঠ্যবই ফেরত নিয়ে স্কুল ত্যাগের নির্দেশ দেন প্রধান শিক্ষক।

এমন অমানবিক ঘটনার বিষয়ে জানতে পেরে তৎক্ষণাৎ অসহায় মেয়েটির পাশে দাঁড়িয়েছেন ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ।

তুরিন বলেন, “ঊর্ধ্বে মানবতাবোধ” কাজলী রায়ের ঘটনাটি জানার পর সিদ্ধান্ত নেই জলঢাকার মেয়ে হিসেবে আরেকটি জলঢাকার মেয়ের পাশে দাঁড়ানো আমার অবশ্য কর্তব্য। সেই কর্তব্যবোধের জায়গা থেকেই কাজলীর পাশে দাঁড়িয়েছি।

উল্লেখ্য মঙ্গলবার জলঢাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুজা উদ-দৌলার অফিসে মেয়েটি এবং তার বাবাকে নিয়ে উপস্থিত হন তুরিন আফরোজ। জলঢাকা উপজেলা নির্বাহী ও জলঢাকা থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে এই বিষয়ে একটি সালিশ সম্পন্ন হয়। এই সালিশে প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক তার কৃতকর্মের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। প্রধান শিক্ষকের এই দুঃখ প্রকাশের পরিপ্রেক্ষিতে কাজলী রায়ের বাবা তার অভিযোগটি প্রত্যাহার করে নেন।

সালিশ সম্পন্ন হবার পর কাজলী রায় ও তার বাবা ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

 

আপনার মতামত লিখুন :