‘শেখ হাসিনার বাংলাদেশ, ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ’

423

শরণখোলায় প্যাকেটজাত চাল পেয়ে খুশি হতদরিদ্র মানুষ 

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি ॥ ‘শেখ হাসিনার বাংলাদেশ, ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ’ শ্লোগানে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির অংশ হিসাবে হতদরিদ্রদের মাঝে স্বল্প মূল্যে বাগেরহাটের শরণখোলার চাল বিতরণের উদ্ধোধন করা হয়েছে। সোমবার সকালে উপজেলার তাফালবাড়ী বাজারে এই কর্মসূচির উদ্ধোধন করেন উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা দেবদুত রায় ও মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা আব্দুল হাইসহ সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেল হোসেন।
এতিকে ৩০ কেজির প্যাকেটজাত চালের একটি বস্তা পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করেন, সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জ সংলগ্ন সোনাতলা গ্রামের বাসিন্দা দরিদ্র মুক্তিযোদ্ধা নজির আহম্মেদ (৭০)। চাল পেয়ে তিনি উপজেলার কয়েক হাজার হতদরিদ্র পরিবার ও শরণখোলাবাসীর পক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে তার নির্বাচনী ওয়াদা পালনের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন জানান। পাশাপাশি তার দীর্ঘ আয়ু কামনা করেন এবং পুনরায় সরকার নির্বাচিত হওয়ার জন্য দোয়াও করেন। একই গ্রামের বাসিন্দা হতদরিদ্র মিনারা বেগম ও নান্না মিয়া বলেন, যেখানে বাজারে ৪৫/৫০ টাকার কমে ১ কেজি চাল পাওয়া যায় না, সেখানে ১০ টাকা কেজি দরে মাত্র ৩০০ টাকায় ৩০ কেজি চাল পেয়ে আমরা (দরিদ্র পরিবার গুলো) সরকারের কাছে ঋণী। তারা এ প্রকল্প ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার জোর দাবি জানান। এছাড়া চাল সরবারহের কাজে নিয়োজিত স্থানীয় তাফালবাড়ী বাজারের ডিলার শামসু জোমাদ্দার, সরোয়ার তালুকদার, ডালিম তালুকদার, তারেক হাওলাদার ও আব্দুল হালিম হাওলাদারসহ অনেকে বলেন, বিগত দিনের তুলনায় এখন চাল সরবারহের ক্ষেত্রে কোন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে না। উপকারভোগীদের তালিকা দেখে খুব সহজেই ৩০ কেজি ওজনের একটি করে প্যাকেটজাত বস্তা দরিদ্রদের হাতে তুলে দেয়া যায় সহজেই। এক্ষেত্রে উপকারভোগীদের কারো কোন অভিযোগও নেই। এছাড়া সংশ্লিষ্ট খাদ্য কর্মকর্তা সকল ডিলারদের মাঝে খুব সহজে চাল বুঝিয়ে দিতে পারছেন। বস্তা পালটানোর ঝামেলা করতে হয় না। আর সেক্ষেত্রে চাল ঘাটতি হওয়ার কোন সুযোগ থাকে না। উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা দেবদুত রায় জানান, খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির অংশ হিসাবে হতদরিদ্রদের মাঝে স্বল্পমূল্যে চাল বিক্রির কার্যক্রম বছরের মার্চ, এপ্রিল, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নভেম্বর এই ৫ মাস চালু থাকে। খাদ্য অধিদপ্তরের ওই কর্মসূচির আওয়াতায় শরণখোলা উপজেলার ২০ জন ডিলারের মাধ্যমে ৮ সহ¯্রাধিক দরিদ্র পরিবারকে এই সুবিধা দেয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে ডিলারদের মাঝে সুষ্ঠভাবে চাল বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। চালগুলো প্যাকেটজাত হওয়ায় বুঝিয়ে দিতে কোন সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে না। এমনকি উপকারভোগীদের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ ও নেই।